ছবি: সংগৃহীত 

(প্রিয়.কম) আবারও বিপাকে ফেলছে রোহিঙ্গারা। শরণার্থী শিবিরগুলোতে কোনো ধরনের নিয়মনীতি না থাকায়, অনেকেই এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে আসছে। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে ভিক্ষুক হিসেবেও দেখা মিলছে তাদের। শুধু তাই নয়, এদের অনেকেই জেলা ছেড়ে বের হয়ে গেছে।

দৈনিক সমকালে প্রকাশিত, ‘রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে পড়ছে নানা এলাকায়’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

প্রতিবেদনে দৃশ্যমান বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিবিরের সর্বশেষ হালচিত্র। কুতপালং ও বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরের ছাড়াও টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া, লেদা ও শামলাপুরেও রয়েছে নিবন্ধিত ৩২ হাজার রোহিঙ্গা। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনিবন্ধিত প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা।

জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, ইতোমধ্যেই নতুন করে ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী এসব এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দুই কিলোমিটারের মধ্যে সড়কের পাশে একটু পরে একের পর এক জটলা বেঁধে বসে আছে রোহিঙ্গারা। সড়কে চলাচলরত প্রতিটি গাড়ি থামানোর চেষ্টা করে তারা। গাড়ি থামলেই হামলে পড়ে ভিক্ষার আশায় রোহিঙ্গারা। 

উখিয়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘রোহিঙ্গারা রাস্তায় ভিক্ষা করতে করতে যখন এক পর্যায়ে ভিক্ষাও মিলবে না, তখন সড়ক ডাকাতির মতো পরিস্থিতি শিকার হতে হবে আমাদের। ইতিমধ্যে এলাকায় চুরি-ডাকাতি বেড়ে গেছে।’

তবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। এ প্রসঙ্গে ওসি আবুল খায়ের বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কড়া নির্দেশনা রয়েছে, রোহিঙ্গারা যাতে করে নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে যেতে না পারে।’

প্রিয় সংবাদ/সামিউল ইসলাম শোভন/আশরাফ