(প্রিয়.কম) মিয়ানমার থেকে নৌপথে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ কালে বুধবার ভোরের দিকে রোহিঙ্গাদের ১১টি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচজন রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।   

০৬ সেপ্টেম্বর বুধবার বঙ্গোপসাগর ও নাফ নদীর মোহনায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফজলুল হক বলেন, বদরমোকাম এলাকার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। নৌকাডুবির পর অনেকে সাঁতরে তীরে উঠেছেন।

তিনি সাঁতরে তীরে উঠা কয়েকজন রোহিঙ্গার বরাত দিয়ে বলেন, শতাধিক রোহিঙ্গা এখনো নিখোঁজ। মোহনা অতিক্রম করার সময় নৌকা উল্টে যায়। একেকটি নৌকায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী ছিল, যা ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি। 

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাঈনুদ্দিন খান জানান, স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছ থেকে রোহিঙ্গাদের ১১টি নৌকাডুবির ঘটনা শুনেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এর আগে গত ৩ রোববার সেপ্টেম্বর টেকনাফের নাফ নদী থেকে গুলিবিদ্ধ নারী-শিশুসহ ৭ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।  

এ ছাড়া ৩০ আগস্ট বুধবার রাতে নাফ নদীতে রোহিঙ্গাবোঝাই নৌকাডুবির ঘটনায় নারী ও শিশু ১৯ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

এদিকে ৩০ আগস্ট বুধবার ভোরেও নাফ নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে। তখন ৪টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছিলো। একদিন যেতে না যেতেই পুনরায় নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটল।

উল্লেখ্য, ২৫ আগস্ট একযোগে প্রায় ৩০টি পুলিশ পোস্টে হামলা চালায় দ্য আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি সংক্ষেপে এআরএসএ। নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে। প্রাণহানী, সংঘাত, তীব্র নির্যাতন উপেক্ষা করে অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন এআরএসএ প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনি

প্রিয় সংবাদ/কামরুল