মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) রোহিঙ্গারা পর্যটন নগরী কক্সবাজারের পরিবেশ বিপন্ন করছে উল্লেখ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, এটা পর্যটন শিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তাই কক্সবাজারের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখতে অচিরেই রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে নোয়াখালীর ঠেঙ্গারচরে স্থানান্তর করা হবে।

৮ এপ্রিল শনিবার কক্সবাজারের কুতুবপালং শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনকালে সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিদের তিনি এ সব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শরণার্থী ক্যাম্পের নারী ও শিশুদের যেকোনো অনৈতিক কাজে ব্যবহার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

মিয়ানমারে সেনা নির্যাতনে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বার্মিজ ভাষায় শিক্ষা-দীক্ষা ও মূল্যবোধ, তাদের মতো করে রক্ষা করার আহবান জানিয়ে মায়া বলেন, রোহিঙ্গাদের কুটির শিল্পে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি শিক্ষা প্রদান করতে হবে।

সে সময় তিনি রোহিঙ্গাদের চিকিৎসা ও লেখাপড়ার খোঁজখবর নেন। এ ছাড়া অননুমোদিত রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দিয়ে তিনি প্রত্যেক শরণার্থী পরিচয়পত্র বহনেরও নির্দেশ দেন।

সে সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রিয়াজ আহমেদ, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, শরণার্থী ক্যাম্পের কর্মরত বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, কুতুবপালং শরণার্থী ক্যাম্পে ১৩ হাজার ৯০১ জন শরণার্থী রয়েছে।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ/শান্ত