(প্রিয়.কম) মিয়মারের রাখাইন রাজ্যে সেনা নির্যাতন থেকে প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা তাদের আশ্রয় ক্যাম্পে পারস্পারিক যোগাযোগ করতে বিনামূল্যে মোবাইল ফোনে কথা বলতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

৪ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে টেলিটকের বুথ উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা জানান।

তারানা হালিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীই আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, তারা যেন (রোহিঙ্গা) টেলিযোগাযোগ সুবিধাটি পায়। এজন্য টেলিটকের ১০টি বুথ বসানো হয়েছে। কলরেটও সুলভ রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আসলে তারা কোনো অর্থ দিতে পারছেন না। সে ক্ষেত্রে বলতে পারি, বিনা পয়সাতেই সেবা দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, আমরা যখন মানবতা সেবা করি, তখন লাভের কথা ভাবি না। সরকারও তা ভাবছে না। তাই অসহায় রোহিঙ্গারা যেন স্বজনদের সাথে পারস্পারিক যোগাযোগ রাখতে পারেন সেজন্য ফ্রি কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে টেলিটক।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজারের কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, হাকিমপাড়া, পালংখালী ও হোয়াইক্যং অস্থায়ী রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে টেলিটকের ১০টি বুথ বসানো হয়েছে। এসব বুথের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদেরকে লোকাল কলের ক্ষেত্রে বিনামূল্যে কথা বলার সুবিধা দিচ্ছে টেলিটক। পাবলিক কল অফিস (পিসিও) এর মাধ্যমে ক্যাম্পের বুথ থেকে অন্য ক্যাম্পের বুথে ফোন করছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। এক্ষেত্রে কারও কল আসলে বুথে থাকা হ্যান্ডমাইকে সংশ্লিষ্ট শরণার্থীকে ডেকে দেওয়া হচ্ছে।

প্রিয় সংবাদ/শান্ত