ছবি: সংগৃহীত 

খাতুনগঞ্জে কম হলেও অন্য বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ভোগ্যপণ্য

চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপ খাতুনগঞ্জে কিছুটা কম দামে চিনি বিক্রি করলেও চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল। ফলে দেশের সব মিল একযোগে সরবরাহ বাড়ানো কিংবা ন্যায্যমূল্যে চিনি বিক্রি না করলে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকিয়ে রাখা যাবে না।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯ মে ২০১৭, ১২:৩৭ আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩২
প্রকাশিত: ১৯ মে ২০১৭, ১২:৩৭ আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০১৮, ২০:৩২


ছবি: সংগৃহীত 

(প্রিয়.কম) দেশের সব থেকে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে দুই সপ্তাহ ধরে পরিশোধিত চিনি প্রতি মণ ২ হাজার ১৫৫ টাকা দামে বিক্রি হলেও রাজধানীর মৌলভীবাজারে একই চিনি  ২ হাজার ৩৯০ টাকা মণ বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। 

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মৌলভীবাজার থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে চিনির পাশাপাশি প্রায় সব পণ্য অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে খাতুনগঞ্জ বাজারের তুলনায়। ফলে বেশি মুনাফার জন্য খাতুনগঞ্জ থেকে কম দামে পণ্য এনে তা অনেক বেশি দামে বিক্রি করছেন দেশের অন্যান্য বাজারের ব্যবসায়ীরা। এমনকি চট্টগ্রামের ভোক্তাদের জন্য কম দামে সরবরাহ করা পণ্যও চলে যাচ্ছে এসব বাজারে। 

খাতুনগঞ্জের ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছগির আহমদ জানান, খাতুনগঞ্জের সঙ্গে অন্যান্য পাইকারি বাজারে পণ্যের দামে বিস্তর ফারাক। কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারি শুধু খাতুনগঞ্জে। বর্তমানে খাতুনগঞ্জে ২ হাজার ১৫০ টাকায় চিনি বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ঢাকার বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩৮০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। এক মণ পণ্যে দুই পাইকারি বাজারের ব্যবধান ২৫০ টাকা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। 

জানা গেছে, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কারসাজিতে এপ্রিলের শেষ দিকে চিনির বাজার অস্থির হয়। ওই সময় বাজার স্থিতিশীল রাখতে এস আলম গ্রুপ ২ হাজার ৩০০ টাকার প্রতি মণ চিনি ২ হাজার ১৫০ টাকায় বিক্রি শুরু করে। এ দামে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টন চিনি সরবরাহ করছে এস আলম গ্রুপ।

চিনি পাইকারি ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৮০ টাকা দামে বিক্রির জন্য নির্ধারণ করে দেয় গ্রুপটি। এক্ষেত্রে চট্টগ্রামভিত্তিক এ শিল্প গ্রুপের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের কাছে শর্ত দেওয়া হয়েছে, ওই চিনি চট্টগ্রামের বাইরে বিক্রি করা যাবে না। কিন্তু এ শর্ত উপেক্ষা করে এ চিনি বাইরের বাজারে বিক্রি করছেন প্রথম সারির কয়েকজন পাইকারি ব্যবসায়ী।

মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ী মো. হাসেম জানান, মিলগেটে চিনি উত্তোলনে দীর্ঘ লাইনের কারণে এসওর দাম কমে গেছে। কিন্তু প্রস্তুত চিনির দাম বাড়ছে। চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপ খাতুনগঞ্জে কিছুটা কম দামে চিনি বিক্রি করলেও চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল। ফলে দেশের সব মিল একযোগে সরবরাহ বাড়ানো কিংবা ন্যায্যমূল্যে চিনি বিক্রি না করলে মূল্যবৃদ্ধি ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। 

এছাড়া একাধিক ব্যবসায়ী জানান, খাতুনগঞ্জে কম দামে বিক্রি হলেও পরিবহন খরচের জন্য দেশের অন্যান্য বাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম কিছুটা বেশি। তবে ন্যায্যমূল্যের চিনি বিভিন্ন মাধ্যমে মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেন তারা।

সূত্র: বণিক বার্তা 

প্রিয় সংবাদ/ইতিমিজান

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...