পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রোটিয়া কোচ মিকি আর্থার। ছবি: সংগৃহীত

শিষ্যের সঙ্গে বাজি ধরে বিপাকে পাকিস্তানের কোচ

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমকে কোচ মিকি আর্থার বলেন, ‘সে যেটা করবে বলেছিল সেটাই করে দেখিয়েছে।’

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০৮ জুন ২০১৮, ১৩:৩২ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৪৮
প্রকাশিত: ০৮ জুন ২০১৮, ১৩:৩২ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৪৮


পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রোটিয়া কোচ মিকি আর্থার। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) জাতীয় দলে শাদাব খানের অন্তর্ভুক্তি মূলত একজন লেগস্পিনার হিসেবে। কিন্তু স্পিনার নয়, পাকিস্তানের এই তরুণ ক্রিকেটার অলরাউন্ডার মনে করেন নিজেকে। তবে শিষ্যের এই দাবি যেন মানতে চাচ্ছিলেন না কোচ মিকি আর্থার। কোচের এমন মনোভাবে অপমানিত বোধ করে বাজি ধরে বসেন শাদাব খান।

বাজির শর্ত, আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সফরে অন্তত তিনটা হাফ সেঞ্চুরি করবেন তিনি। পুরো দলকে ডিনার করানোর শর্তে বাজিতে রাজি হয়ে যান গুরু-শিষ্য দু’জন। আয়ারল্যান্ড-ইংল্যান্ড সফরে শাদাব অন্তত তিনটি হাফ সেঞ্চুরি করতে পারলে মিকি আর্থার পুরো দলকে একদিন ডিনার করাবেন। যদি শাদাব তা না পারেন, তবে পুরো দলকে ডিনার করাতে হবে তার।

প্রথম দিকে শাদাব এই কীর্তি করতে পারবে না বলে নির্ভারই ছিলেন আর্থার। শেষ পর্যন্ত বাজিতে হেরেছেন তিনি। টানা ৩ ম্যাচে তিন হাফ সেঞ্চুরি করে কোচকে বাজিতে হারিয়ে দিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী শাদাব। ফলে বাজির শর্ত অনুযায়ী পুরো দলকে নিয়ে ডিনারে যেতে হয়েছে পাকিস্তানের প্রোটিয়া কোচ মিকি আর্থারকে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমকে কোচ বলেন, ‘সে যেটা করবে বলেছিল সেটাই করে দেখিয়েছে।’

বাজির প্রথম ম্যাচটি ছিল মালাহিডে আয়ারল্যান্ডের অভিষেক টেস্টে। সেই ম্যাচে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন শাদাব। ব্যাট হাতে করেন ৫৫ রান। এই ধারা বজায় রাখেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজেও। লর্ডসে ইংলিশদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে খেলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস। এই ইনিংসে তার ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান।

এরপর বাজি জিততে শাদাবের দরকার ছিল আর মাত্র একটি হাফ সেঞ্চুরি। হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে সেটাও করে ফেলেন। খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ৫৬ রানের ইনিংস। সেই ম্যাচে পাকিস্তান ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত হলেও প্রোটিয়া কোচের দেওয়া চ্যালেঞ্জটা উতরে যান ১৯ বছর বয়সী শাদাব খান। 

প্রিয় খেলা/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...