(প্রিয়.কম) হতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটার। কিন্তু নানা প্রতিবন্ধকতায় সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি। হয়েছেন চাকরিজীবী। বর্তমানে মোবাইল ব্র্যান্ড সিম্ফনির মার্কেটিং বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। বলছি, শফিকুল ইসলাম সূতীর্থর কথা। ছোটবেলার একটি স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় দ্বিতীয় স্বপ্নটি পূরণ করতে চান খুলনার এই যুবক। বক্তা হয়ে বহু মানুষের অনুপ্রেরণা হতে চান তিনি।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া স্মার্ট ফোন ও ট্যাব এক্সপোতে কথা হচ্ছিল সূতীর্থর সঙ্গে। উদ্বোধনী দিনে ব্যস্ততার মধ্যেই প্রিয়.কমের সঙ্গে কথা বলেন স্বপ্ন ও বাস্তবতা নিয়ে।

আপনার জন্ম, বেড়ে ওঠা কোথায়?

আমি খুলনায় বড় হয়েছিল। খুলনা জেলা স্কুলে পড়া অবস্থায় ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ জন্মে। তবে একটা সময় পর বুঝতে পারি, খেলা আর পড়াশুনা একসঙ্গে চলতে পারে না। এর পর থেকে পড়াশোনায় মন দেওয়ায় ক্রিকেটার আর হতে পারিনি।

মাধ্যমিকের পাঠ চুকিয়ে ভর্তি হই ঢাকা সিটি কলেজে। এর পর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে। পড়াশুনা শেষে প্রথমে একটি মার্কেটিং এজেন্সিতে চাকরি করি। পরে সিম্ফনিতে যোগ দিই। প্রায় সাড়ে ৩ বছর ধরে এখানে কাজ করছি।

কী হতে চেয়েছেন, আর কী হলেন বা হবেন?

হতে চেয়েছিলাম ক্রিকেটার, হয়েছি চাকরিজীবী। ক্যারিয়ার শেষে পাবলিক স্পিকার হব।

কেমন দেখছেন স্মার্টফোন ও ট্যাব এক্সপো?

আজ প্রথম দিন। প্রথম দিন হওয়ায় অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ লোক সমাগম কম হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে অন্যান্য বারের তুলনায় আমাদের প্রথম দিনই সেল ভালো। অন্যদের তুলনায় আমাদের ট্যাব ভালো বিক্রি হচ্ছে।

সিম্ফনিতে আপনার কাজের বিষয়ে বলুন..

সিম্ফনি দেশের এক নম্বর মোবাইল ব্র‍্যান্ড। এখানে আমি সাড়ে ৩ বছরের বেশি সময় ধরে রয়েছি। এখানে কাজ করাটা আমার জন্য অবশ্যই সুখকর। এখানে আমি যে পর্যায়ে রয়েছি, এই পর্যায়ে আসতে অনেকের অনেক সময় লেগে যায়। অনেক ছোট হয়েও অনেক বড় দায়িত্ব আমার ওপর। আমার মনে হয় ছোট একটি এক্সপেরিয়েন্সে আমি অনেক বড় বড় কাজ করে ফেলেছি।

কর্মক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জিং হিসেবে কোনটিকে মনে করেন?

আমাদের এই সেক্টরটি অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। দেশে প্রতিনিয়ত অনেক মোবাইল ব্র‍্যান্ড আসছে। এদের মাঝে দেশীয় ব্র‍্যান্ডকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং, যা প্রতিনিয়ত মোকাবিলা করছি।

সিম্ফনিতে কোন বিষয়টি ভালো লাগে?

যখন আমি বাজারে যাই তখন দেখি ১০ জন মানুষের ৭ জনই সিম্ফনির মোবাইল ব্যবহার করে। যখন উবারে উঠি, তখন দেখি নিজের প্রতিষ্ঠানের মোবাইল ব্যবহার করছে উবার চালক। তখন নিজের কাছে খুব ভালো লাগে।

এক বাক্যে আপনার সম্পর্কে বলুন

আমি ফান লাভিং এবং মানুষের সঙ্গে খুব সহজেই মিশতে পারি।

নিজেকে সফল মনে করেন?

মানুষের সফলতা তার স্যাটিসফেকশন (সন্তুষ্টি) থেকে আসে। কিন্তু একজন মানুষের স্যাটিসফেকশন পূর্ণ হতে পারে না।

প্রিয় টেক