প্রতীকী ছবি/প্রিয়.কম

সিঙ্গাপুরে ‘হাই টেক’ উপায়ে পরীক্ষায় নকল, শিক্ষক আটক

সিঙ্গাপুরে ও-লেভেল পরীক্ষায় ছয় শিক্ষার্থীকে নকলে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে

কে এন দেয়া
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ১৩:৫২ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৪৮
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ১৩:৫২ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৪৮


প্রতীকী ছবি/প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) সিঙ্গাপুরে ও লেভেল পরীক্ষায় ছয় শিক্ষার্থীকে নকলে সহায়তার দায় স্বীকার করেছেন এক শিক্ষক। মোবাইল ফোন, ব্লুটুথ ডিভাইস এবং ত্বকের সঙ্গে মিশে থাকা হেডফোন ব্যবহার করে পরীক্ষায় নকল করেন তারা।

১৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই ঘটনার কথা বলা হয়। ওই শিক্ষকের নাম তান জিয়া ইয়ান। সোমবারে পরীক্ষায় নকলের ২৭টি অভিযোগের দায় স্বীকার করেন তিনি।

বিবিসি জানিয়েছে, প্রাইভেট ক্যান্ডিডেট হিসেবে ও লেভেল পরীক্ষা দেন তান জিয়া ইয়ান। তিনি তার পোশাকের ভেতরে লুকানো মোবাইলের ফেসটাইম ফিচারের সাহায্যে প্রশ্ন পাচার করে দেন নিজের এক সহযোগীর কাছে। ওই সহযোগী পরীক্ষার্থীদের ফোনের মাধ্যমে এসব প্রশ্নের উত্তর বলে দেন। স্কিন কালারের হেডফোন ব্যবহার করার কারণে সহজে বোঝা যায়নি যে তারা শুনে শুনে প্রশ্নের উত্তর লিখছিলেন।

পরীক্ষার হলে একজন পরিদর্শক লক্ষ করেন, একজন পরীক্ষার্থীর শরীর থেকে অস্বাভাবিক শব্দ আসছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তাকে পোশাক খুলতে বলা হয়। তখন তার পোশাকের ভেতরে আটকানো মোবাইল ফোন, ব্লুটুথ ডিভাইস এবং স্কিন-কালার হেডফোন পাওয়া যায়।

পরীক্ষায় নকলে সহায়তার অভিযোগ আনা হয় তান জিয়া ইয়ান এবং তার সহযোগীদের বিপক্ষে। তারা সবাই জিউস এডুকেশন সেন্টারের (একটি কোচিং সেন্টার) কর্মী ছিলেন। তান জিয়ার সহযোগীরা হলেন—পোহ ইউয়ান নিয়ে, ওই সেন্টারের প্রিন্সিপাল, শিক্ষক ফিওনা পোহ মিন এবং ফেং রিওয়েন।

তাদের বিরুদ্ধে মামলায় বলা হয়, ওই সেন্টারের প্রতি শিক্ষার্থীর থেকে আট হাজার সিঙ্গাপুর ডলার করে নিয়েছেন পোহ ইউয়ান নিয়ে। ও লেভেল পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী ফেল করলে সেই শিক্ষার্থীকে এই টাকা ফেরত দেওয়ার কথা।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...