(প্রিয়.কম) হবিগঞ্জের বাহুবলের পুটিজুরী ইউনিয়নের গোলগাঁও গ্রামে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি-বালি পাচার ও বাহুবল বাজারে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে যত্রতত্র যাত্রী উঠা-নামা করার দায়ে পাঁচ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং দিয়ে একজনের অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

১১ অক্টোবর বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কচুয়াদি গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের পুত্র মো. আলাল উদ্দিন (২১), কবিরপুর গ্রামের সিএনজি চালক মো. বাদশা মিয়ার পুত্র মো. আব্দুল হাই (২২), উপজেলার গোলগাঁও গ্রামের মৃত আনফর উল্লার পুত্র মো. ইসরাঈল মিয়া (৬৫), হিলালপুর গ্রামের বছির মিয়ার পুত্র হাছান আলী (২১), ফতেহপুর গ্রামের মো. আলতা মিয়ার পুত্র মো. আনোয়ার মিয়া (৩০) এবং একই গ্রামের মৃত সাইদুল হকের পুত্র জামাল মিয়া (২২)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের গোলগাঁও গ্রামে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে মাটি ও বালি উত্তোলন করে আসছে একটি অসাধু চক্র। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে ওই গ্রামের একটি টিলায় এক্সাভেটর দিয়ে মাটি-বালি কেটে ট্রাক্টর দিয়ে পাচার করা হচ্ছিল।

সে সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি ট্রাক্টরসহ ইসরাঈল, হাছান, আনোয়ার ও জামালকে আটক করেন। পরে তাদের মধ্যে ইসরাঈলকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  এবং অন্যদের ৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এছাড়া বাহুবল বাজারে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে যত্রতত্র যাত্রী উঠা-নামা করানোর বিষয়টি মোবাইল কোর্টের নজরে আসলে আব্দুল হাই ও আলাল উদ্দিনকে ১৫ দিনের করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক।

পাহাড় কেটে অবৈধভাবে মাটি ও বালি উত্তোলনের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জসীম উদ্দিন বলেন, ‘রাঘব বোয়ালদের ছত্র ছায়ায় বাহুবলে পাহাড় কেটে প্রকৃতি ধ্বংস করা হচ্ছে। যারাই এর সাথে জড়িত থাকবেন তাদেরকেই আইনের আওতায় আনা হবে।’

প্রিয় সংবাদ/শিরিন