ছবি সংগৃহীত

মির্জাপুরে কোচিং বাণিজ্যে জিম্মি শিক্ষার্থী

কোচিং সেন্টার লাভজনক ব্যবসা হওয়ায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের অর্থলোভী একশ্রেণির শিক্ষকের সহযোগিতায় এলাকার অনেক বেকার তরুণ-তরুণী কোচিং সেন্টারের প্রতি ঝুকে পড়েছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি ২০১৭, ০৯:২২ আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৪৮
প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি ২০১৭, ০৯:২২ আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৪৮


ছবি সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকারি বিধি নিষেধ লঙ্ঘন করে চলছে জমজমাটভাবে কোচিং ব্যবসা। এতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ব্যবস্থা পাশাপাশি কোচিং ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে আছে এই উপজেলার অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার দৈনিক ইত্তেফাকে ‘মির্জাপুরে কোচিং ব্যবসা জমজমাট জিম্মি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা’ শিরোনামে এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও অলিগলিতে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠছে কেজি স্কুল ও কিন্ডার গার্টেন। শিক্ষার নামে এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক এবং মালিকরা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নানা প্রলোভনে জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলেও ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। 

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, সরকারি নিষেধ অমান্য করে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তাদের অনুসন্ধানে মির্জাপুর উপজেলায় কোচিং সেন্টার, কিন্ডার গার্টেন ও কেজি স্কুলের সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই। তবে কিন্ডার গার্টেনের সংখ্যায় প্রায় ১৫০ হতে পারে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্র নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, কোচিং সেন্টার একটি লাভজনক ব্যবসা হওয়ায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের অর্থলোভী একশ্রেণির শিক্ষকের সহযোগিতায় এলাকার অনেক বেকার তরুণ-তরুণী কোচিং সেন্টারের প্রতি ঝুকে পড়েছে। বছরের শুরুতেই এসব কোচিং সেন্টারে শুরু হয় ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি প্রতিযোগিতা। এসব কোচিং সেন্টারের মালিক ও শিক্ষকরা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নানাভাবে সুযোগ সুবিধার কথা বলে ভর্তি হবার জন্য উৎসাহিত করেন। 

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

প্রিয় সংবাদ/ইএ/এআই 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...