মিয়ানমারের গনতান্ত্রীক নেতা অং সান সু চি। সংগৃহীত ছবি।

‘সু চির সামনে শেষ সুযোগ, না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে’

১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিবেন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান সু চি। এই ভাষণের মাধ্যমেই বন্ধ হতে পারে রোহিঙ্গা নির্যাতন, যদি সু চি তার অবস্থান পরিবর্তন করেন। না হলে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলেও মনে করছেন জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস।

জানিবুল হক হিরা
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৩:৫৮ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৪:০০
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৩:৫৮ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ১৪:০০


মিয়ানমারের গনতান্ত্রীক নেতা অং সান সু চি। সংগৃহীত ছবি।

(প্রিয়.কম) মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর দমন অভিযান বন্ধ করে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের ‘শেষ একটি সুযোগ’ অং সান সু চির সামনে রয়েছে বলে মনে করছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, সু চি এখনও সাড়া দিতে ব্যর্থ হলে তা ভয়ঙ্কর বিপর্যয় ডেকে আনবে।

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিবেন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান সু চি। এই ভাষণের মাধ্যমেই বন্ধ হতে পারে রোহিঙ্গা নির্যাতন, যদি সু চি তার অবস্থান পরিবর্তন করেন। না হলে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলেও মনে করছেন জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের মিয়ানমারের বাড়িতে ফেরত নেওয়া উচিত। আর সু চি যদি পরিস্থিতি না পাল্টান তাহলে ভবিষ্যতে এই সমস্যার সমাধানও দেখা যাচ্ছে না। এখনই এর সমাধান করতে হবে এবং মঙ্গলবারের ভাষণই ‘শেষ সুযোগ’।

গুতেরেস বলেন, মিয়ানমার যে এখনও অনেকখানি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে, তা বেশ স্পষ্ট। আর রাখাইনে যা ঘটছে, তা সেনাবাহিনীর কারণেই ঘটছে। 

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গত ২৫ আগস্ট থেকে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়। এ অভিযানের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা এবার ৩ লক্ষ ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ। 

২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার শিকার হয়ে তারা ধাপে ধাপে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র ভিভিয়ান তান।

এর আগে জাতিগত দ্বন্দ্বের জেরে ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে দেশটির সেনাবাহিনীর চালানো একই রকম অভিযানের বর্বরতায় বাধ্য হয়ে অন্তত ৮০ হাজার রোহিঙ্গা পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় গ্রহণ করে।

প্রিয় সংবাদ/রিমন

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


loading ...