বিলুপ্ত ঘোষিত চবি শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। ছবি: প্রিয়.কম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের সংঘর্ষ

বিবাদমান দুইটি গ্রুপ হলো- নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী সিক্সটি নাইন ও নগর আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর অনুসারী সিএফসি।

তাজুল ইসলাম পলাশ
প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০১৮, ২২:০২ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৪৮
প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি ২০১৮, ২২:০২ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ১৬:৪৮


বিলুপ্ত ঘোষিত চবি শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) রাতের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিলুপ্ত ঘোষিত শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষ। এ ঘটনায় তিন জন আহত হয়েছে। ২১ জানুয়ারি রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।

বিবাদমান দুইটি গ্রুপ হলো- নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী সিক্সটি নাইন ও নগর আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর অনুসারী সিএফসি।

আহতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শফিকুল আলম মিরাজ ও লিটন রায়। তাদের মধ্যে মিরাজ সিক্সটি নাইন এবং লিটন সিএফসির অনুসারী। এ ছাড়া ১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মেরিন সায়েন্স বিভাগের রিফাত নামে একজন আহত হয়েছেন।

এর আগে ২০ জানুয়ারি শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হলের সামনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের দুই জন কর্মী আহত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুরের সিএক্সটি নাইনের এক কর্মীকে মারধরের সূত্র ধরে আজ সকালে সিএফসির রিফাতকে মারধর করা হয়। এ খবর ছড়ালে অন্যপক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং তিনটি রামদাসহ একজনকে আটক করে। আটক ওই কর্মী মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের ১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। 

এ বিষয়ে সিএফসি গ্রুপের নেতা ও সাবেক কমিটির সভাপতি আব্দুল হান্নান সাব্বির বলেন, আসন্ন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াকে বানচাল করতে সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মীরা আজ সকালে আমার কর্মীর ওপর হামলা চালিয়েছে। আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই।

সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা ও সাবেক কমিটির উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইকবাল টিপু বলেন, কালকের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় এ ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাদের কারণে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা যদি দ্বায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে কালকের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার করতো, তাহলে এ ধরনের ঘটনা ঘটত না।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মহসিন মজুমদার বলেন, একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তিনি ওই ছাত্রের নাম বলতে পারেননি।

প্রিয় সংবাদ/হিরা/শান্ত