প্রতীকী ছবি

দূর থেকে তোমার কবরটা স্পষ্ট দেখা যায়

চলার পথটা আটকে গেলেও চলার গতিটা কিন্তু থামেনি। জীবনটা সাময়িক থমকে গেলেও কিন্তু পুরোদমে থেমে যায়নি।

রহমান তামিম
ফ্রিল্যান্স লেখক
প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল ২০১৮, ১৫:৫৯ আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০১৮, ২১:৩২


প্রতীকী ছবি

হবে না, হবে না করেও ঠিকই আবার দেখা হয়ে গেল। বিদায়ের ৪ মাস পর তোমার দেখা মিলল আবারও। আমার প্রতিদিনকার ভারী দীর্ঘশ্বাসগুলো তোমায় স্পর্শ করেনি। তোমার না থাকা অস্তিত্বের নিঃশ্বাসগুলো আমায় ছুঁয়ে গেছে বারবার।

বাস্তবতা আজ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তোমায় আজ স্পর্শ করা মানা। দূর থেকে দেখাটাই আমার এক অন্যরকম শান্তি। সময়টা বড্ড বেইমানি করেছে, সম্পর্কগুলো এক নিমিষেই বদলে দিয়েছে। সময়ের কাছে আমার অনেক অভিযোগ জমানো, একদিন সে অভিযোগগুলো তোমাকে পড়ে শুনাব।

চলার পথটা আটকে গেলেও চলার গতিটা কিন্তু থামেনি। জীবনটা সাময়িক থমকে গেলেও কিন্তু পুরোদমে থেমে যায়নি। আমি চলছি এখনো আগের মতোই, স্বাভাবিকভাবেই জীবনটা কেটে যাচ্ছে। শুধু তোমার না থাকার শূন্যস্থানটা এখনো অপূর্ণই থেকে গেছে।

পৃথিবীর কাছেও আমার অনেক অভিযোগ জমানো, সময় করে একদিন তোমাকে সবকিছু বলব। তোমার বিদায়ের ক্ষণটা দেখার সুযোগ হয়নি আমার, লোকমুখে শুনেছি তোমার কলেজের সাদা ড্রেসটা নাকি সেদিন একদম রক্তাক্ত ছিল।

তোমাকে শেষ বিদায় দেওয়া হয়নি আমার, তোমার মুখটা শেষবারের মতো দেখা হয়নি আমার। শেষ নিঃশ্বাসটা ত্যাগ করার কয়েক সেকেন্ড আগেও হয়তো আমায় খুঁজেছিলে তুমি আনমনে।

আমাদের দেখা হলো আবারও চার মাস পর। তুমি আমার বাস্তব জীবন থেকে একবারের জন্য ঝাপসা হয়ে গেলেও দূর থেকে তোমার ‘কবরটা’ ঠিকই এখনো স্পষ্ট দেখা যায়।

প্রিয় সাহিত্য/হাসান/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন
৭৪ বছর আগের ছবিতে আবেগপ্রবণ নির্মলেন্দু গুণ
তাশফিন ত্রপা ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮
মানসিক হাসপাতালে কবি নজরুলের নাতি সুবর্ণ
তাশফিন ত্রপা ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮
স্পন্সরড কনটেন্ট
ট্রেন্ডিং