বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি

নির্বাচনকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ: খসরু

‘স্বাধীনভাবে কাজ করার এবং সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের কোনো সামর্থ্য তাদের নেই। তারা কেবল সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে।’

আবু আজাদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০৪ মে ২০১৮, ২১:৫৯ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০১:০১
প্রকাশিত: ০৪ মে ২০১৮, ২১:৫৯ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০১:০১


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ফাইল ছবি

(ইউএনবি) দেশের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে, তা জনগণই নির্ধারণ করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

৪ মে, শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় খসরু এ কথা বলেন।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন দেশের ১৬ কোটি মানুষের উৎসব। সরকার চান বা না চান তারা এতে অংশ নেবে। নির্বাচনকালীন সরকারের সিদ্ধান্তও জনগণ নিবে।’

আমির খসরু বলেন, ‘জনগণ বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার চায়। কিন্তু তারা বিশ্বাস করে না যে, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।’

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে খসরু বলেন, ‘স্বাধীনভাবে কাজ করার এবং সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের কোনো সামর্থ্য তাদের নেই। তারা কেবল সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে।

একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সকল দলের একটি লেভেল-প্লেয়িং ফিল্ড প্রয়োজন। কিন্তু দেশে সেটি নেই। কারণ সরকার তাদের ‘‘নীলনকশার’’ অংশ হিসেবে বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা করছে। এমন পরিস্থিতিতে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো উপায় দেখছি না।’

অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজন করার জন্য অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি ‘‘একপেশে’’ নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।’

আজম খান আরও বলেন, ‘আমাদের দল জনগণকে সাথে নিয়ে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারামুক্তি এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সরকারকে বাধ্য করবে।’

প্রিয় সংবাদ/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...