(প্রিয়.কম) নাটোরের দিঘাপতিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহী ও এক জেএসসি পরীক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও একজন। অন্যদিকে সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া গ্রামের বাদশাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে অপর একজনের।

১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার পৃথক পৃথকভাবে দুর্ঘটনা দুটিতে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন সদর উপজেলার ইসলাবাড়ী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ও বাকশোর ইসলাবাড়ী দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র জহুরুল ইসলাম (১৭) এবং একই এলাকার ঈদ্রিস আলীর ছেলে ও দিঘাপতিয়া পিএন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র নুর মোহম্মদ মিম (১৫)। আহত হয়েছেন একই উপজেলার ইসলাবাড়ী গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে মাসুদ (১৫)।

ঝলমলিয়া হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম ও নাটোর ফায়ার সার্ভিসের সদস্য হারুন অর রশীদ প্রিয়.কমকে জানান, দুপুর দুইটার দিকে সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া পিএন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুর মোহম্মদ মিমসহ তিনজন মোটর সাইকেলযোগে ইসলাবাড়ী গ্রামে বাড়িতে ফিরছিল। এ সময় নাটোর বগুড়াগামী দ্রুত গতির একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।

তারা আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুর মোহম্মদ মিম ও জহুরুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। আর নিহতের মরদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আহত মাসুদকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

তবে এখনও ট্রাকটি আটক করতে পারেনি পুলিশ।

অপরদিকে নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া গ্রামের বাদশাপাড়ায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আতাউর রহমান (৩৫) নামে এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল আহাদের ছেলে।

নাটোর ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মো. আকতার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে প্রিয়.কমকে জানান, আতাউর রহমান আজ দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে নিজ বাড়িতে বৈদ্যুতিক কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এ সময় স্থানীয় লোকজনের খবরের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

প্রিয় সংবাদ/আদিল