(প্রিয়.কম) গণহত্যা-ধর্ষণ থেকে বাঁচতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা যাতে শরণার্থী শিবিরের বাইরে গিয়ে বাংলাদেশের মূল জনস্রোতে মিশে যেতে না পারে সে জন্য পার্বত্য তিন জেলা, চট্টগ্রাম থেকে ফেনী পর্যন্ত ২৮টি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

২০ সেপ্টেম্বর বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রোহিঙ্গা নাগরিকদের চিহ্নিতকরণ সংক্রান্ত এক সভায় এ কথা জানানো হয়।

রোহিঙ্গাদের ভাষা ও চেহারা বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় এরা দ্রুত জনারণ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেন, দেশের যেকোনো স্থানে রোহিঙ্গা নাগরিকদের সন্ধান পেলে তাদের উদ্ধার করে সরকারিভাবে নিরাপত্তা দিয়ে কক্সবাজারের নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়া হবে। 

বিভাগীয় ডিআইজি ড. এস এম মনিরুজ্জামান জানান, রোহিঙ্গারা যেন ছড়িয়ে যেতে না পারে সে জন্য তিন পার্বত্য জেলাসহ ফেনী পর্যন্ত ২৮টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এরই মধ্যে ১ হাজার ৮৪১ জন রোহিঙ্গাকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে কক্সবাজারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের হয়রানিসহ ভিন্ন অপরাধে ১৭৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার সৈয়দা সরওয়ার জাহান পাহার ও বন কেটে বসতি স্থাপন বন্ধ করতে সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ নিতে আদেশ দেন। 

এছাড়া সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক দীপক চক্রবর্তী, পুলিশের ডিআইজি ড. এস এম মনিরুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার, গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আদিল চৌধুরী, কোস্টগার্ডের কমান্ডার ক্যাপ্টেন শহিদুল ইসলাম, বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল আনিস এবং বন সংরক্ষক ড. জগলুল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।

প্রিয় সংবাদ/শান্ত