(প্রিয়.কম) ব্যাট হাতে নিজেকে ফিরে পেতে এখনও পথ খুঁজছেন ওপেনার সৌম্য সরকার। সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে তার সর্বোচ্চ ইনিংসটি ছিল ৩৩ রানের। দলে তার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কম সমালোচনা হয়নি। অভিযোগ, কোচ চান্দিকা হাতুরুসিংহের প্রিয়পাত্র বলেই একাদশে তিনি। সৌম্য এসবে কান দিতে নারাজ। তার মতে, সমালোচনাটা ফেসবুকেই বেশি হয়। সে কারণে এই সময়ে ফেসবুকটা কম ব্যবহার করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পর দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেও জায়গা হয়েছে বাংলাদেশের হয়ে নয় টেস্টে ৫৪৬ রান করা এই ব্যাটসম্যানের। কিন্তু ঘুরেফিরে সেই সমালোচনা। বিশেষ করে কোচের পছন্দের কারণেই বারবার ব্যর্থ হয়েও একাদশে জায়গা পাচ্ছেন, এই গঞ্জনা ভোগাচ্ছে তাকে। বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যখন গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন, তখনও বিষয়টি উঠে এলো।

সৌম্য এ প্রসঙ্গে বললেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো ওই সময়টায় ফেসবুকে কম যাওয়ার চেষ্টা করি। আর ভালো খেললেও তো সবাই কথা বলে। যেহেতু আমদের দেশের ভালো খেললে তাকে নিয়ে বেশি আলোচনা হয়, খারাপ খেললেও কথা হয় তাই এটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখি। ভালো-মন্দ যাই হোক, সবাই আমাকে নিয়েই কথা বলছে। এসব ভেবে মানসিকভাবে শক্ত থাকার চেষ্টা করি। সমালোচকদের চুপ করানোর একটাই উপায় আছে, সেটা হলো রান করা। আমি হার্ডওয়ার্ক করি বেশি রান করার জন্য।’ 

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের চার ইনিংসে সৌম্যর ইনিংসগুলো ছিল যথাক্রমে ৮, ১৫ ও ৩৩, ৯। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ক্যারিয়ারের সর্বশেষ হাফ সেঞ্চুরিটি করেছিলেন আট ম্যাচ আগে। ডাবলিনে নিউজিল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় সিরিজের একটি ম্যাচে আইরিশদের বিপক্ষে অপরাজিত ৮৭ রানের ইনিংস খেলেন। এবারের লক্ষ্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টির পূর্ণাঙ্গ সিরিজে পারফরম্যান্সের বিচারে নিজেকে সুবিধাজনক স্থানে রাখতে চান।

বললেন, ‘কঠিন সিরিজ। তারপরও তো খেলতেই হবে! তবে কঠিনের মধ্য দিয়েই ভালো করতে পারলে সেটা বেশি মর্যাদা পাবে। নিজেকেও আত্মবিশ্বাসী মনে হবে। ওদের মাটিতে, ওদের কন্ডিশনে গিয়ে ভালো কিছু করতে পারলে আলাদা মজা থাকবে। চেষ্টা করব ভালো কিছু করার এবং পিছনের ম্যাচগুলো ভুলে যাওয়ার।