ছবি সংগৃহীত

জাতিসংঘে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সভা

সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা মোকাবেলায় জাতিসংঘ কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে এ বিষয়ে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ০৮:৪০ আপডেট: ২৭ জুলাই ২০১৮, ১১:২৬
প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ০৮:৪০ আপডেট: ২৭ জুলাই ২০১৮, ১১:২৬


ছবি সংগৃহীত

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতর। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা বিষয়ে বাংলাদেশ, নরওয়ে ও জর্ডানের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা মোকাবেলায় জাতিসংঘ কীভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে এ বিষয়ে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

গুরুত্বপূর্ণ এই সাইড-ইভেন্টে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন জঙ্গি,  সন্ত্রাসবাদ এবং সহিংস চরমপন্থা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার সফলভাবে অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসবাদ দমন করছে। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কোনো জঙ্গি ও সন্ত্রাসীগোষ্ঠী যাতে বাংলাদেশে ঘাঁটি গাড়তে না পারে তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশের আবহমান সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সবসময়ই সন্ত্রাস ও মৌলবাদের পরিপন্থী। দেশের আলেম-ওলামাসহ সব স্তরের মানুষ সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া কয়েকটি সন্ত্রাসী ঘটনার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়িয়েছে। মৌলবাদ ও সহিংস চরমপন্থার বিস্তার রোধে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়নকে সরকার আরও শক্তিশালী করেছে। 

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জমিয়াতুল উলামার চেয়ারম্যান ও শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম মাওলানা ফরিদউদ্দিন মাসুদ। তিনি বলেন, ‘আমি সারা জীবন ইসলামের খেদমতে নিজেকে নিবেদিত করেছি। ইসলাম শান্তি, ন্যায় ও সহনশীলতার ধর্ম। ইসলাম জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদকে কখনও সমর্থন করে না। আমি বেদনাহত হই যখন দেখি ইসলামের নামে সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থার মত ঘটনা ঘটছে।’

‘কোনো ধর্মই সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থাকে সমর্থন করে না’- এ বিষয়টি জোরালোভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানান। এ প্রসঙ্গে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘সন্ত্রাসীর কোনো ধর্ম বা জাতি নেই, সন্ত্রাসীর পরিচয় সে শুধুই সন্ত্রাসী।’

অনুষ্ঠান শেষে মাওলানা ফরিদউদ্দিন মাসুদ দেশের একলাখ মুফতি, উলামা ও আইম্মার স্বাক্ষর করা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী মানবকল্যাণে শান্তির ফতোয়া নরওয়ের উপমন্ত্রী লায়লা বুখারীর কাছে হস্তান্তর করেন।  

২০১৭ সালে এটাই জাতিসংঘের সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা বিরোধী প্রথম আলোচনা অনুষ্ঠান। 

সূত্র: বাসস

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ ইসলাম/সোহেল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...