(প্রিয়.কম) ভারতে ধর্ষণের শিকার ১০ বছরের এক শিশুর গর্ভপাতের আবেদন নাকচ হয়ে যাওয়ার পর ডিএনএ টেস্টে জানা গেছে অভিযুক্ত শিশুটির এক চাচা এজন্য দায়ী নয়। গত মাসে শিশুটি একটি মেয়ে শিশুর জন্ম দেয়।

ভারতে আলোড়ন তোলা এই ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসলে শিশুটি দাবি করে সাত মাস ধরে তার ৪০ বছর বয়সী এক চাচা তাকে নিয়মিত ধর্ষণ করেছে। তবে এবার ডিএনএ টেস্টে সদ্যজাতের নমুনার সঙ্গে ওই চাচার নমুনা মেলেনি। অভিযুক্ত ওই চাচা বর্তমানে কারাগারে থাকলেও পুলিশ এখন নতুন করে দায়ী ব্যক্তির সন্ধান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

শিশুটির বাবা বিবিসি-কে এর আগে জানিয়েছিলেন, অভিযুক্ত চাচা ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেনি। আর শিশুটি মা বরাবর তদন্তকারীদের বলেছেন ওই চাচার ধর্ষণে জড়িত থাকার বিষয়ে তাদের কোনো সন্দেহই নেই।

এই ঘটনা তদন্তের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা বুধবার বিবিসি-কে জানিয়েছেন, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির পরিবার অন্য কারো জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও শিশুটি ওই চাচাকেই দায়ী করেছে।

গত মঙ্গলবারও পুলিশ ও কাউন্সিলাররা ধর্ষণের শিকার মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাড়িতে গিয়ে কথা বলেছেন।

এ বছরের মধ্য জুলাইতে শিশুটির পেটে সন্তান থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয় তার মা-বাবা। তখন তার ২৭ মাসের অন্তঃস্বত্তা চলছিল। চন্দ্রীগড়ের স্থানীয় একটি আদালতে শিশুটির ‘মাতৃত্ব ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে গর্ভপাতের আবেদন করা হলে তা নাকচ হয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্টেও এই আবেদন নাকচ হয়ে যায়।

পরে গত মাসে মেয়ে শিশুর জন্ম হলে তাকে একটি শিশু ওয়েলফেয়ার কেন্দ্রে রাখা হয়েছে এবং তাকে দত্তক দিতে নতুন মা-বাবার সন্ধান চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

প্রিয় সংবাদ/শান্ত