(প্রিয়.কম) জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেসকো-তে ইসরায়েল-বিরোধী পক্ষপাত আছে অভিযোগ তুলে সংস্থাটি থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্যারিস-ভিত্তিক ইউনেসকো প্রতিনিধিদের প্রত্যাহার করে সেখানে 'পর্যবেক্ষণ মিশন' স্থাপন করবে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া ইউনেসকোতে আর্থিক ঘাটতি যেভাবে বাড়ছে তা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্র চিন্তিত এবং ওই সংস্থায় আমূল সংস্কার প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহারের ঘটনায় ইউনেসকোর প্রধান ইরিনা বোকোভা বলেছেন, 'মার্কিন প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত 'গভীর আক্ষেপের'। যুক্তরাষ্ট্রের বিদায় 'জাতিসংঘ পরিবার' তথা বহুপাক্ষিকতার জন্যই বিরাট এক ক্ষতি।'

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ইউনেসকো জেরুসালেমের আল-আকসা মসজিদ সম্পর্কে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে, যেখানে ওই পবিত্র স্থানের সঙ্গে ইহুদীদের সম্পর্কের কথা একেবারেই উল্লেখ করা হয়নি। এ কারণে ইসরায়েল ইউনেসকোর সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা বন্ধ করে দেয়। পরে ইউনেসকো পশ্চিম তীরের প্রাচীন শহর হেবরনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করলে এর কড়া সমালোচনা করেছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

এদিকে ২০১১তে ইউনেসকো ফিলিস্তিনিদের পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সে বছর আর্থিক সহায়তা করেনি। এর বাইরেও ইউনেসকোর নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ছিলো।

তবে 'ফরেন পলিসি' সাময়িকী বলছে, ইউনেসকো থেকে আমেরিকার প্রত্যাহারের পেছনে শুধু ইসরায়েলকে সমর্থন জানানোই নয়, অর্থ সাশ্রয় করার উদ্দেশ্যও আছে।

সূত্র: বিবিসি

প্রিয় সংবাদ/সজিব