ছবি সংগৃহীত

নীলফামারীর ডিমলায় স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামবাসীদের বাঁধ নির্মাণ

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই এলাকার প্রায় ২০ হাজার পরিবারের ফসলী জমি ও সম্পদ বন্যা ও তিস্তা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় স্থানীয় জনগণ নিজস্ব উদ্যোগে এই বাঁধ নির্মাণের কাজে হাত দিয়েছেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৬:১০ আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১৪:০০
প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৬:১০ আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০১৮, ১৪:০০


ছবি সংগৃহীত

নীলফামারীর মানচিত্র। 
(বাসস) বন্যা ও নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য স্বেচ্ছাশ্রমে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করছেন নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার প্রত্যন্ত টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের শত শত মানুষ।

সামনের বর্ষাকাল থাকায় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ওই এলাকার প্রায় ২০ হাজার পরিবারের ফসলী জমি ও সম্পদ বন্যা ও তিস্তা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় স্থানীয় জনগণ নিজস্ব উদ্যোগে এই বাঁধ নির্মাণের কাজে হাত দিয়েছেন। 

ছাত্রলীগ টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বাঁধ নির্মাণ কমিটির সমন্বয়কারী ময়নুল ইসলাম জানান, এই বাঁধের নির্মাণ কাজে সাধারণ মানুষ তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। 

তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সংস্থা বাঁশ, প্লাস্টিকের দড়ি ও দৈহিক শ্রম দিয়ে বিনা মজুরিতে এ নির্মাণ কাজে অংশ নিচ্ছেন। খুব শিগগিরই তথা আগামী বর্ষার আগেই এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

ময়নুল জানান, এই বাঁধটি নির্মিত হলে চর খড়িবাড়ী, একতার বাজার, পূর্ব খড়িবাড়ী, ঝিঞ্জির পাড়া, তপুর চর, সানিয়াজান, ঠেঙ্গিহার ও বাঘের চর গ্রামের ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ বন্যা ও তিস্তার ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে। স্থানীয় অধিবাসী আবদুল বাতেন বলেন, প্রতিবছর বন্যা ও তিস্তার ভাঙ্গনের ফলে এখানকার শত শত মানুষ গৃহহারা হয়ে থাকে। এই বাঁধটি নির্মাণ করা হলে মানুষ তাদের ফসল, রাস্তা ও অন্যান্য সম্পদ রক্ষা করতে পারবে।

আবুল কালাম, হাসমত আলী, নূর ইসলামের মতো এখানকার বিভিন্ন গ্রামের শত শত মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই বাঁধ নির্মাণের কাজে অংশ নিয়েছেন। 

স্থানীয় স্কুলের ছাত্র আবু বকর, আবদুস সোবহান, সুকুমারসহ আরও অনেক ছাত্র এই কাজে অংশগ্রহণ করে নিজেদের গর্বিত মনে করছে। 

স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, এই বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রায় ২০ হাজার পরিবারের বাড়িঘর ও ফসলি জমি এবং এলাকার বিদ্যালয়, মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলো বন্যা ও নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে। 

প্রিয় সংবাদ/বাদল/আলম

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...