(প্রিয়.কম) লটকন কি আপনার প্রিয় ফল? তাহলে তো এই লটকনের মৌসুমে যেতেই হয় লটকন বাগানে। জেনে নিন কোথায় কোথায় হয় লটকনের চাষ।
 
সবচেয়ে বেশি লটকনের গাছ পাবেন নরসিংদীর শিবপুরে। শিবপুর উপজেলার ছোটাবন্দ গ্রামে পা দিয়েই দেখা মিলবে অসংখ্য লটকন গাছের। ইচ্ছেমতো লটকন খেতে পারবেন গাছ থেকে পেড়ে। তবে অবশ্যই বাগানের মালিকের সাথে কথা বলে নেবেন। তিনিই আপনাকে দেখিয়ে দেবেন কোন গাছের লটকন বেশি মিষ্টি আর কোন গাছেরটা টক!
 
শিবপুর, রায়পুরা উপজেলা ও এর আশপাশের এলাকায়ও লটকনের চাষ হয়। তবে বেশি হয় শিবপুরেই।
 
নরসিংদী ঘুরে ঘুরে দেখতে পারেন আরও অন্যান্য বাগান। উয়ারি বটেশ্বর বেড়াতে গেলে তার খুব কাছেও একটি বাগান পাবেন। স্থানীয় মানুষজনকে জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দেবে। এছাড়া এখানকার যোশর, আগরপুর, মাকাল্লা, ভিটিখৈনকুট, দক্ষিণ কামালপুর, লালখারটেক, কামারটেক, চৈতন্য, চান্দারটেক, শরীফপুর, কুলুরটেক, টঙ্গিরটেক, পুরানা আটশিয়া, আমরাতলী, কাজিয়ারা, লেটাব, মাছিমনগর, মালিয়ারা, নৌকাঘাটা, নন্দিরটেক, মুরগীবের, দেবালেরটেক, পাহাড়ফুলদী, শৈকারচর, শ্রীরামপুর, সৃষ্টিগড়, ভঙ্গারটেক, জাঙ্খারটেকসহ আশপাশের সব গ্রামেই লটকনের বাগান আছে।
 
দেশের অন্যান্য আরও অনেক এলাকাতে লটকন হয়। তবে স্বাদের সেরা লটকন পাবেন এখানেই। বাগান ভ্রমণের সাথে সাথে কিনে নিয়ে যেতে পারেন প্রিয়জনদের জন্যেও।
 
নরসিংদী যেভাবে যাবেন
ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডের কাঁচপুর ব্রিজ পার হয়ে বামে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ধরে একটু এগুলেই নরসিংদী। ঢাকা থেকে নরসিংদীর দূরত্ব মাত্র ৫৪ কিলোমিটার। গুলিস্তান, সায়েদাবাদ ও আব্দুল্লাহপুর থেকে নরসিংদীর বাস পাওয়া যায়। বিভিন্ন পরিবহন ৫ মিনিট পর পর নরসিংদী যাচ্ছে। যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টা। ট্রেনেও নরসিংদী যেতে পারবেন। ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে নরসিংদী যেতে ট্রেনে সময় লাগে ১ ঘণ্টার মতো।

যেখানে থাকবেন
নরসিংদী সকালে এসে ঘুরেফিরে রাতে ফেরত যেতে পারবেন। শহরে থাকা-খাওয়ার বেশ কয়েকটি ভালো হোটেল আছে, আছে নরসিংদী শহরে ডাকবাংলোও, রয়েছে হোটেল।
 
সম্পাদনাঃ ড. জিনিয়া রহমান।
আপনাদের মতামত জানাতে ই-মেইল করতে পারেন [email protected] এই ঠিকানায়।