ছবি সংগৃহীত

তীব্র পানি সংকটে টেকনাফবাসী

মেয়েরা টিউবওয়েলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কলসিতে করে বাড়িতে খাবার পানি নিয়ে আসছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০১৭, ২০:৪০ আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০১৮, ০৯:৩৩
প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০১৭, ২০:৪০ আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০১৮, ০৯:৩৩


ছবি সংগৃহীত

সংগৃহীত ছবি

(প্রিয়.কম) কক্সবাজারের টেকনাফে খাবার পানির জন্য মানুষ এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ছুটে বেড়াচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে খাবার ও ব্যবহারের পানি নিয়ে হাহাকার চলছে বলে জানা গেছে।

অনেক এলাকায় পুকুর ও রিংওয়েল শুকিয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ ২ থেকে ৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করছে। মেয়েরা টিউবওয়েলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে কলসিতে করে বাড়িতে খাবার পানি নিয়ে আসছে। অনেকে জায়গায় পুরুষরাও পানি সংগ্রহে নেমেছে। এই সংকটকে কাজে লাগিয়ে সরবরাহকারীরা পানির কন্টেইনারের মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রয়োজনের খাতিরে সাধারণ মানুষ বাড়তি দামেই কন্টেইনারের পানি কিনতে বাধ্য হচ্ছে। মুসল্লিরা মসজিদে অজু করার পানিটুকুও পাচ্ছেন না।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রতি বছর এ মৌসুমে পানির সংকট দেখা দেয়। পরিকল্পিত পানি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দুর্ভোগ লাঘব করা সম্ভব। স্থান ভেদে টিউবওয়েল ও পাতকুয়া খননের মাধ্যমে পানির সমস্যা দূর করতে হবে। রংপুরের আবিদ দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে পৌর এলাকায় বাসা-বাড়িতে কন্টেইনারে করে পানি সরবরাহ করছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছর সরবরাহ অনেক বেড়েছে বলে তিনি জানান।

 

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ক্যছাই মং চাক জানান, পানির স্তর দিন দিন নিচে নেমে যাওয়ার কারণে সীমান্তের এই উপজেলায় পানির খুব বেশি সমস্যা হয়। পলিথিনের ব্যবহার বেশি হওয়ার কারণে বৃষ্টির পানি সহজে নিচে নামতে পারে না। পলিথিনের ব্যবহার এবং ভৌগোলিক কারণে এখানে দিন দিন পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানির সংকট দেখা দেয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবগত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরো জানান, খাবার পানির সংকট মোকাবেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ চাহিদা অনুপাতে এলাকা ভিত্তিক গভীর নলকূপ বসানো হবে।

সূত্র: ইত্তেফাক

প্রিয় সংবাদ/মেহেদী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...