ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) রাজধানীতে সামান্য বৃষ্টি হলেই বিভিন্ন সড়কে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। আর এ বৃষ্টির পানি জমে থাকে ৫-৭ দিন। ফলে সড়কে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়। এতে সড়কে দুর্ঘটনার পাশাপাশি নগরবাসী নানান ধরনের সমসস্যার সম্মুখীন হতে হয়। 

নগরীর মৌচাক, মালিবাগ, শান্তিনগর, আরামবাগ এলাকার সড়কগুলোয় সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে থাকে।  ইট, খোয়া উঠে মাটি বেরিয়ে পড়া এসব সড়ক গ্রামের মেঠোপথের রূপ ধারণ করে। একই চিত্র মিরপুর-এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভারের বনানী অংশের ওঠা ও নামার পথে। কাকলী থেকে মহাখালী পর্যন্ত সড়কেও একাংশে পানি জমে হাঁটুসমান । কারওয়ান বাজার থেকে বাংলামোটর সড়কের চিত্রও একই। এ ছাড়া মিরপুর, মোহাম্মদপুর, পুরান ঢাকার লালবাগ, জুরাইন, খিলগাঁও, বাড্ডা, কুড়িল এলাকার অনেক সড়কেই এমন অবস্থা প্রায় সময়ই বিরাজ করে। 

এ প্রসঙ্গে ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী কামরুল হাসান জানান, রাজধানীর বড় একটি অংশে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন উন্নয়ন কাজ করছে। এ কারণে বিভিন্ন পয়েন্টে পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে সামান্য বৃষ্টিতেও রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে। বিষয়টি দুই সিটি কর্পোরেশনকে অবহিত করা হয়েছে। 

দুই সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্তরা বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বর্ষা মৌসুম পুরোদমে শুরু হওয়ার আগে এসব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আর সেটা হলে অন্যান্য বছরের তুলনায় রাজধানীতে জলাবদ্ধতা কম হবে, নগরবাসীর বড় ধরনের ভোগান্তি হবে না বলে তাদের বিশ্বাস। সেই লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।’ 

সূত্র: যুগান্তর 

প্রিয় সংবাদ/ইতি/মিজান