(প্রিয়.কম) প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) গিয়েছিল সিলেটে। সবমিলিয়ে আটটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। বিপিএলের সিলেট পর্বে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েছেন বিদেশি ক্রিকেটাররা। আট ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি হয়েছে ১০টি। যার মধ্যে ছিল না কোনও দেশি ক্রিকেটারের নাম। তবে ঢাকা পর্বের শুরুতেই পাল্টেছে দৃশ্যপট। প্রথম ম্যাচেই হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন রাজশাহী কিংসের মুমিনুল হক

শনিবার 'হোম অব ক্রিকেট' খ্যাত মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে মাত্র ৩৪ বলে তিন ছয় এবং চারটি চারে হাফ সেঞ্চুরি করেন মুমিনুল। হাফ সেঞ্চুরি করেই থামেননি! দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে ৬৩ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন রাজশাহী কিংসের এই ব্যাটসম্যান। কিন্তু সেই মুমিনুলই বলছেন, বিপিএলে মিরপুরে উইকেট সবচেয়ে কঠিন।

সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল বলেন, 'আমার কাছে মনে হয়, বিপিএলে মিরপুরের উইকেট সবচেয়ে কঠিন। সে কারণেই সিমন্সেরও সময় লাগছিল। খেলার পরই আসলে ২-১ ওভারে বুঝা যায়। প্রথমে মিরপুরের উইকেটে ৫-৬ ওভার বোলিং করলে একটু সাহায্য পাওয়া যায়। পরে আমাদের সময় উইকেট ফ্ল্যাট হয়ে গেছে। আমার কাছে শিশিরের কারণে মিরপুরের উইকেট কঠিন মনে হয়।'

এর আগের দুই ম্যাচে অবশ্য মুমিনুলের ব্যাট কথা বলেনি তার হয়। প্রথম ম্যাচে রংপুরের বিপক্ষে নয় রানের পর পরবর্তী ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের বিপক্ষে করেন ২৪ রান। তৃতীয় ম্যাচে এসে হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেও হয়তো মানসিকভাবে তৃপ্ত নন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। তিনি চান, রান করার পাশাপাশি স্ট্রাইক রেটটা যেন বাড়াতে পারেন।

স্ট্রাইক রেট বাড়াতে পারলে বড় ইনিংস খেলতে পারবেন উল্লেখ করে মুমিনুল বলেন, 'গত বছর আমার স্ট্রাইক রেট ভাল ছিল না। এবারও যদি তাই থাকে, তাহলে আমার উন্নতি হচ্ছে না। আমি স্ট্রাইক রেট ঠিক করে আরও উন্নতি করার চেষ্টা করছি।' 

মুমিনুল জানালেন রান করতে ভালবাসেন তিনি। সেটা যেকোনও পজিশনে হোক, ব্যাট করতে আপত্তি নেই তার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমার কাছে রান করলেই আমি উপভোগ করি। সেটা নয় নম্বরে নেমেও। আমি যেভাবে খেলছি, সেভাবে খেলে যেতে চাই। আস্তে আস্তে উন্নতি করলে যাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন।'