full-screen
remove-fullscreen
Avatar

১/১১

২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতা ছাড়ার পর রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান উপদেষ্টা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ নানা অভিযোগের মুখে রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টারা একে একে পদত্যাগ করতে থাকেন। আওয়ামী লীগ ২২ জানুয়ারির নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশে জারি হয় জরুরি অবস্থা। বাতিল করা হয় ২২ জানুয়ারির নির্বাচন। গঠিত হয় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার, যার নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফখরুদ্দীন আহমদ। তখন সেনাপ্রধান ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (পরে জেনারেল) মইন উদ্দিন আহমদ। জরুরি অবস্থা জারির পর থেকে তিনি সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন।

এ সময় অন্য উপদেষ্টা ছিলেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, মির্জা আজিজুল ইসলাম, মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, তপন চৌধুরী, গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী, মেজর জেনারেল (অব.) মতিউর রহমান, আইয়ুব কাদরী, আনোয়ারুল ইকবাল, ড. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, ড. চৌধুরী সাজ্জাদুল করিম। এদের মধ্যে মইনুল হোসেন, তপন চৌধুরী, গীতি আরা সাফিয়া চৌধুরী, মতিউর রহমান, আইয়ুব কাদরী প্রায় বছরখানেক সময় পর পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে তাদের জায়গায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এ এফ হাসান আরিফ, ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, রাশেদা কে. চৌধুরী, এ এম এম শওকত আলীমেজর জেনা. (অব) গোলাম কাদের

এই সময় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রধান দুই দলের দুই নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াসহ শীর্ষ নেতাদের প্রায় সবাইকেই গ্রেফতার করা হয়। বাদ যাননি ব্যবসায়ীরাও। দেশের গণমাধ্যমে তৎকালীন এই প্রচেষ্টাকে মাইনাস-টু ফর্মুলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। 

এর আগে বিচারপতি কেএম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান হিসেবে না মানা এবং নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ দাবিতে আওয়ামী লীগের আন্দোলনে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষ নিহত হন।

 

চব্বিশ ঘণ্টায় বাংলাদেশঃ (৪৮)

জনপ্রিয়