মদ খেতে বলা সেফুদার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

মানবজমিন প্রকাশিত: ০২ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০৯

‘মদ খা, মানুষ হবি,’ ‘ওকে আমার কাছে পাঠিয়ে দাও’  এরকম নানা সংলাপের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল সেফাত উল্লাহ ওরফে সেফুদা। তিনি কথা বলেন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে সরকার, রাজনীতি, সমাজ, ধর্ম নিয়েও। কয়েক মাস আগে ফেসবুক লাইভে এসে ইসলাম ধর্ম ও পবিত্র কোরআনকে অবমাননা করেন তিনি। পবিত্র কোরআনকে অবমাননার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সেফুদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।গত ২৩শে এপ্রিল সাইবার ট্রাইব্যুনালে এ মামলাটি করেন ঢাকা বারের আইনজীবী আলীম আল রাজী (জীবন)। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।আজ ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত ২৯শে সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। গত ১০ই সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপ-পরিদর্শক পার্থ প্রতিম ব্রহ্মচারী আসামি সেফাত উল্লাহর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামস জগলুল হোসেন এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৯শে নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি সেফাত উল্লাহ সেফুদা অনলাইনে একাধিকবার বিভিন্নভাবে একাধিক ভিডিও আপলোড করেছে, যা ভাইরাল হয়েছে। তিনি এসব ভিডিওর মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। তিনি অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল ও আক্রমণাত্মক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন, যা আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ, মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি করেছেন। ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে।মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৯ই এপ্রিল বাদী ফেসবুকে দেখতে পান যে, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা প্রবাসী সেফাতউল্লাহ সেফুদা তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে পবিত্র কোরআন সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের বাজে কথা বলছেন এবং কোরআনকে অবমাননা করছেন, যা সমগ্র ইসলামী বিশ্বকে মারাত্মকভাবে আহত করছে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
আরও