সরাইলে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মানবজমিন প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০

সরাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। গতকাল দিনভর সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের দু’পাশে কালিকচ্ছ বাজার এলাকা ও হাসপাতাল মোড়ে পরিচালিত হয়েছে এ অভিযান। নোটিশ ও মাইকিং এর পরও স্থাপনা সরিয়ে না নেয়ায় বোল্ডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। তবে তড়িঘড়ি করে অনেককে মালামাল সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। এ খবরে হাসপাতাল মোড় এলাকায় দ্রুত যারযার স্থাপনা সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। সওজ ও উপজেলা প্রশাসন জানায়, সরাইলের বিশ্বরোড মোড় থেকে কালিকচ্ছ বাজার পর্যন্ত সড়কের দু’পাশের সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) ও জেলা পরিষদের জায়গা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। জায়গা সরকারি হলেও একটি চক্র কৌশলে জায়গার দখল নিয়ে খুঁটি বসায়। পরে বড় অংকের জামানত নিয়ে এলাকার লোকজনের কাছে মাসিক ভিত্তিতে ভাড়া দেয়। দোকান ঘর বা যেকোন স্থাপনা করে নিতে হবে ভাড়াটিয়াকে। প্রভাবশালীরা শুধু দখল সূত্রে মালিক। এভাবে সড়কের দুপাশে জায়গা দখল করে শতশত স্থাপনা গড়ে ওঠেছে। ফলে সড়কের পাশে লোকজনের দাঁড়ানোর জায়গা নেই। সড়কের উপরেই বসছে হাট। স্থানীয় শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। আর সকাল দুপুর বিকেল ও রাতে সড়কে যানজন নিত্যদিনের বিষয়। সরাইল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা প্রিয়াঙ্কা এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী খন্দকার নেছার আহমেদ, সার্ভেয়ার টিঙ্কু চাকমা প্রমুখ। কালিকচ্ছ এলাকা শেষ করে সরাইলে অভিযান পরিচালনার কথা রয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, দখলদারদের তাণ্ডবে আমরা অসহায়। এমন অভিযান তো বছরে ২/১ বার হচ্ছে। কোন লাভ নেই। অভিযান শেষ করে যাওয়ার পরই আবার দখলদাররা স্থাপনা দাঁড় করে বসে পড়ে। একজনের দখলেই আছে ৩-৪টি দোকান। জায়গা দেখিয়ে দিলেও মাস শেষে ভাড়া গুনতে হয়। এসব দখলদারদের বিরুদ্ধে মামলা করা দরকার। নতুবা কখনো একেবারে বন্ধ হবে না। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা প্রিয়াঙ্কা বলেন, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। কালিকচ্ছ এলাকা শেষ করে অন্য জায়গায় যাব। কোন দখলদারই পার পাবে না।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
আরও