চার হাজার বছরের গল্প

বণিক বার্তা প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৩২

আমার চেয়ে বেশি খালের ভক্ত আর কেউ নেই, কিন্তু আমি চাই খালটি মিসরের অধিকারে থাকুক, মিসর যেন খালের অধিকারে চলে না যায়।— ইসমাঈল পাশা (১৮৩০-১৮৯৫) আধুনিক সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছিল ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর। সে হিসেবে মাত্র কয়েকদিন আগে সুয়েজ খাল তার সার্ধশত জীবত্কাল পার করল। কিন্তু এ আধুনিক সুয়েজ খাল প্রকৃতপক্ষে চার হাজার বছরের এক মহাকাব্যের ধারাবাহিকতা। দি ইস্থমাস অব সুয়েজ মিসরের বুকে ৭৫ মাইল চওড়া একচিলতে ভূমি। এ জমি চিরে মানুষের তৈরি ১০০ মাইলের বেশি দীর্ঘ এক খাল যুক্ত করেছে ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে। একই সঙ্গে এ খাল যুক্ত করেছে দুটো মহাদেশকে, বিশ্ব অর্থনীতিতে যারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ খাল ব্যবহার করে নৌযান এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সেতু হয়ে ওঠে। সুয়েজ খালের কারণে নৌযানগুলো ইউরোপ থেকে প্রাচ্যে চলে আসতে পারে আফ্রিকা মহাদেশকে প্রদক্ষিণ না করেই। এতে বেঁচে যায় হাজার মাইল পথের যাত্রা ও কয়েক সপ্তাহ সময়। খালটি তাই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অতিগুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ এবং দুনিয়ার বড় দেশের সবাই এর ওপর নজর রাখে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত
আরও