বিএনপি’র রাজনীতি চোরাবালিতে আটকে গেছে: ওবায়দুল কাদের

মানবজমিন প্রকাশিত: ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি’র রাজনীতি  চোরাবালিতে আটকে গেছে। বিএনপিকে নিয়ে বিচলিত হবেন না। বিএনপি এখন নালিশ পার্টি।  প্রেস ব্রিফিং আর নালিশ করা ছাড়া বিএনপি’র আর কোনো অবলম্বন  নেই। দেখতে দেখতে ১১ বছর। আন্দোলন আর কোন বছর? জনগণ বিএনপিকে আর ক্ষমতায়  দেখতে চায় না। তিনি আরো বলেন, ফখরুল সাহেব দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বললে আমি তখন হাসি। হাওয়া ভবনকে আমি বলি খাওয়া ভবন। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে আর বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে দেয়া হবে না। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য পীযূষ কান্তি ভট্টাচার্য। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার ডাইরেক্ট অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যুরা সাবধান। দাগী সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজরাই অনুপ্রবেশকারী। সারা দেশের ন্যায় খুলনায়ও এদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে। তিনি বলেন, ক্লিন ইমেজ, ভালো  লোকদের আপনারা দলে স্থান  দেবেন। আত্মীয়স্বজন দিয়ে পকেট কমিটি দিয়ে রাজনীতি করবেন না। আওয়ামী লীগে পকেট কমিটির কোনো প্রয়োজন নেই। ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। ছবি ঝুলিয়ে, বিলবোর্ড দখল নিয়ে প্রচার করা যাবে, নেতা হওয়া যাবে না। নেতা হতে হলে কর্মীবান্ধব হতে হবে। পরিচ্ছন্ন হতে হবে।’ তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দলে এখন কর্মীর চেয়ে নেতা বেশি। পোস্টার লাগানোর জন্য কর্মী খুঁজে পাওয়া যায় না। টোকাই ভাড়া করে পোস্টার লাগাতে হয়। কিন্তু এখন বসন্তের কোকিলের অভাব নেই। দলের দুঃসময়ে এই সুবিধাবাদী ও অনুপ্রবেশকারীদের হাজার পাওয়ারের বাতি দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না। বিতর্কিত লোকদের বিতাড়িত করে ভালো লোকদের দলে স্থান দিতে হবে। মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে স্বাগত বক্তৃতায় খুলনার উন্নয়নের দাবি তুলে ধরেন মহানগর সভাপতি  কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, ‘খুলনা আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। আওয়ামী লীগ যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে তখন দেশের উন্নয়ন হয়। বিশেষ করে খুলনা তথা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন হয়।’ তিনি খুলনা-যশোর মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করা এবং খুলনা-ঢাকা বিরতিহীন ট্রেন সার্ভিস চালুর দাবি জানান।খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের  চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে সম্মেলন পরিচালনা করেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ১৪ দলের সমন্বয়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) এডভোকেট সুজিত অধিকারী। সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।সম্মেলনে সম্মানিত অতিথি ছিলেন, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. মসিউর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। বিশেষ বক্তা ছিলেন, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আযম, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট আমিরুল ইসলাম মিলন ও বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়। সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি, আকতারুজ্জামান বাবু এমপি, আব্দুস সালাম মুর্শেদী এমপি, গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এমপি প্রমুখ।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত
আরও