শিশুদের নাকের পেছনের টনসিলের সমস্যা

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:১৮

শিশু ডাক্তারদের কাছে আসা শিশুদের অনেক সমস্যার মধ্যে একটি সমস্যা হলো এডেনয়েড বা এডেনোটনসিলাইটিস। নাক ও মুখের ছিদ্রের মাধ্যমে আমাদের দেহের খাদ্যনালি ও শ্বাসতন্ত্রের সঙ্গে পরিবেশের যোগাযোগ হয়। তাই নাকের পেছনে ও গলায় কিছু প্রহরী থাকে। এদের একসঙ্গে ওয়েল্ডেয়ার্স রিং বলে। এই ওয়েল্ডেয়ার্স রিংয়ের মধ্যে অন্যতম হলো নাকের পেছনের টনসিল আর গলার পাশের টনসিল। নাকের পেছনের টনসিলকে বলা হয় ন্যাজোফ্যারিঞ্জিয়াল টনসিল। ঘন ঘন সংক্রমণ হয়ে যখন এর গঠনে স্থায়ী পরিবর্তন চলে আসে, তখন একে এডেনয়েড বলা হয়। গলার টনসিল বড় হয়েও সমস্যা করতে পারে, তবে এদের তখন আলাদা কোনো নাম হয় না। একটি শিশুর শুধু এডেনয়েডের সমস্যা হতে পারে আবার টনসিলের সমস্যার সঙ্গে মিলে এডেনোটনসিলাইটিসও হতে পারে। এই লেখায় এডেনয়েড নিয়ে আলোচনা প্রাধান্য পাবে। কারণ, শিশুদের এই সমস্যাটি নিয়ে ডাক্তারদের কাছে আসা মা–বাবার দুশ্চিন্তা ডাক্তারদের সত্যি ভাবিয়ে তোলে। লক্ষণ এ রোগে প্রথমত শিশুর যে সমস্যা নজরে আসে তা হলো, শিশু ঠিকমতো নিশ্বাস নিতে পারে না। রাতে হাঁ করে ঘুমায়, বালিশে লালা পড়ে, নিশ্বাস নিতে খাঁ খাঁ করে শব্দ হয়, খেতে চায় না, প্রায়ই সর্দি-কাশি হয়। এ ছাড়া খেলাধুলার প্রতি শিশুর অনীহা দেখা যায়, নতুন কিছু শিখতে চায় না, পড়ালেখায় অমনোযোগী হয়। অনেক সময় শিশু কানে কম শোনে। পাশের রুম থেকে ডাকলে সাড়া দেয় না, ক্লাসে পড়া বোঝে না। এ সময় অনেকে শিশুর ওপর বাড়তি চাপ দিয়ে থাকেন।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
আরও