২০ কোটি টাকা খাবারের বিলের খবর মিথ্যা: হাসপাতাল পরিচালক

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০১ জুলাই ২০২০, ১০:৫৭

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাস চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের খাবারের বিল নিয়ে ওঠা বিতর্কের ব্যাখ্যা দিয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলছেন, বিষয়টি পুরোপুরি মিথ্যা।

বুধবার সকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “এতে কোনো সন্দেহ নাই এটা মিথ্যা প্রচার। এখানে খাবারের জন্য ওই টাকাটা খরচ হচ্ছে না। হোটেল ভাড়ায় বেশি টাকা যাচ্ছে। খাবার ৫০০ টাকা করে প্রতিজনের জন্য। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে যে অনুমোদন নিয়েছি, সেখানেও বিষয়টি বলা আছে।”

তিনি বলেন, বুধবার এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে। সেখানে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।

করোনাভাইরাস চিকিৎসায় নিয়োজিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের ‘এক মাসের খাবারের বিল’ ২০ কোটি টাকা আসার ওই খবর কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে এলে আলোচনা শুরু হয়।

বিষয়টি সংসদ অধিবেশনে উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও গত সোমবার এ নিয়ে কথা বলেন। এক মাসের খাবারের বিল ২০ কোটি টাকা কী করে হয়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার এ বিষয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের সামনে ব্যাখ্যা দেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রায় প্রায় ১৫০ জনের মত চিকিৎসক, ২৫০ জনের মত নার্স এবং ১০০ জনের বেশি কর্মচারী ও আনসার সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তাই স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেলে রাখা হচ্ছে।

খাবারের জন্য ৫০০ টাকা করে নির্ধারণ করা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা হোটেলকে বলেই দিয়েছি, খাবার বাবদ এক দিনে ৫০০ টাকার বেশি দিতে পারব না। এটা দিয়েই ম্যানেজ করতে হবে। তারা তাদের মত ম্যানেজ করেছে।

“একদিনে কোনো হোটেলের ভাড়া দুই হাজার টাকা, কোনো হোটেলের ৫০০ টাকা, কোনো হোটেলের আড়াই হাজার টাকা এবং কোনো হোটেলে পাঁচ হাজার টাকাও আছে। হোটেলের ভাড়াই তো ম্যাক্সিমাম খরচ, তারপর হচ্ছে তাদের খাবার ও যাতায়াত।

“আমাদের এখানে যাতায়াতের জন্য প্রায় ১৫টি মিনিবাস, দুটি মাইক্রোবাস ও দুটি বাস রেখেছি। এগুলো দিয়ে প্রতিদিন তিন বেলা তাদের আনা-নেওয়া করা হচ্ছে।”

পরিচালক বলেন, দুই মাসের জন্য কী পরিমাণ খরচ হতে পারে তা মন্ত্রণালয় থেকে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তখন তারা হিসাব করে দেখেছেন- দুই মাসে ২০ কোটি টাকার মত লাগতে পারে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত
আরও