জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ঐতিহাসিক আয়োজন | শেয়ার বিজ

শেয়ার বিজ প্রকাশিত: ০৫ মার্চ ২০২১, ০০:২৯

দীর্ঘকালের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ ফরিদপুরের গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করে আপসহীন নেতৃত্ব, দৃঢ় মনোবল আর ত্যাগের মধ্যে দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রধান নেতা। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বনেতৃত্বের প্রতিভূ, মানবজাতির জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর। ১৯৭১ সালে নিউজউইক পত্রিকা তাঁকে ‘রাজনীতির কবি’ অভিধায় অভিহিত করে। বিশ্ববাসীর কাছে তিনি মুক্তিকামী মানুষের নেতা। নেতৃত্বের এই অনন্যতার কারণেই ফিদেল কাস্ত্রো তাঁকে হিমালয়ের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, শেখ মুজিবকে দেখেছি।’

বাঙালিকে কেউ ‘দাবায়ে রাখতে পারবে না’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ভাষণে বাঙালি জাতি সম্বন্ধে অমর প্রত্যয়ন উপহার দিয়ে গেছেন, যা আজও বাঙালির মূল আত্মবিশ্বাস। স্বাধীনতার শত্রুদের আঘাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিমর্মমভাবে নিহত হতে হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে আপাতভাবে মৃত্যু ঘটেছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ে তোলার সংগ্রামের। বাংলাদেশ এশিয়ার সুইজারল্যান্ড হয়ে ওঠার সুযোগ হারিয়ে ফেলেছিল। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির সমর্থনপুষ্ট সামরিক ও স্বৈরাচারী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়েছে সাধারণ মানুষের ভাগ্য। একেবারে ধ্বংসস্তূপ থেকে জেগে ওঠা ফিনিক্স পাখির মতো বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করেছে বাংলাদেশ। মধ্যম আয়ের দেশ হয়ে ওঠা বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের কাতারে নিজের স্থান করে নিতে পেরেছে, ২০৪১ সাল নাগাদ সমৃদ্ধ দেশে রূপান্তরিত হতে পারার স্বপ্ন দেখছে কেবল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ও দর্শনের আলোয় পথ চলা অসীম সাহসী নেতা শেখ হাসিনার দৃঢ় মনোবল ও দেশপ্রেমের কষ্টিপাথরে পরীক্ষিত নেতৃত্বের গুণে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত