ছবি সংগৃহীত

কলেজছাত্রী খাদিজার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার, অবস্থা আশঙ্কাজনক

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তির পর দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হাসপাতালে এই ছাত্রীর অস্ত্রোপচার করা হয়।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০১৬, ১২:৪৭ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৮, ০৫:৩৩
প্রকাশিত: ০৪ অক্টোবর ২০১৬, ১২:৪৭ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৮, ০৫:৩৩


ছবি সংগৃহীত

খাদিজা আক্তার নার্গিস স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সংগৃহীত ছবি

(প্রিয়.কম) সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার কোপে আহত কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তাকে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তির পর দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হাসপাতালে এই ছাত্রীর অস্ত্রোপচার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের ডেপুটি মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নিজামউদ্দিন বলেন, নার্গিসের মাথায় এলোপাতাড়ি কোপানোর চিহ্ন রয়েছে। আঘাত গুরুতর।

খাদিজার চাচা আব্দুল কুদ্দুস সংবাদমাধ্যমকে জানান, ডাক্তার জানিয়েছে খাদিজার বাঁচার আশা ক্ষীণ। তাকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, তবে ৭২ ঘন্টা পর্যবেক্ষণের পরই এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে। 

এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, ঢাকায় আনার পরেই তার সিটিস্ক্যান করা হয়েছে। ডাক্তাররা জানিয়েছেন অপারেশন করা যাবে, কিন্তু বাঁচার সম্ভাবনা মাত্র ৫ শতাংশ। তবে অলৌকিকভাবে সে বেঁচে গেলেও আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে না।

স্কয়ার হাসপাতালের নিউরো সার্জারির জ্যেষ্ঠ পরামর্শক রেজাউস সাত্তারের অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন। 

মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকেই নার্গিসকে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরআগে সোমবার বিকেলে গুরুতর জখম হওয়ার পর তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মধ্যরাত পর্যন্ত সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ওসমানী মেডিকেলে অস্ত্রোপচার হলেও তার অবস্থার উন্নতি না হওয়া ভোরেই অ্যাম্বুলেন্সযোগে স্কয়ারে নিয়ে আসা হয়। ভর্তির পর পরিস্থিতি দেখে তৎক্ষণাৎ নার্গিসকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়।

সোমবার বিকেলে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে খাদিজাকে উপর্যুপরি  কুপিয়ে জখম করে ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম (২৪)। 

সিলেট সদর উপজেলার মোগলগাঁও ইউনিয়নের হাউসা গ্রামের মাসুক মিয়ার মেয়ে খাদিজা আক্তার নার্গিসের বাড়িতে লজিং থাকত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) অর্থনীতি বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ও শাবি ছাত্রলীগের সহসম্পাদক বদরুল আলম। সেখানে থাকাকালে মেয়েটির কাছে প্রেম নিবেদন করে সে। নার্গিস বারবার প্রত্যাখ্যান করে।

সোমবার বিকেলে পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর এমসি কলেজ মসজিদের পেছনে মানুষের সামনে দা দিয়ে তাকে কোপাতে থাকে বদরুল। প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন নার্গিসের চিৎকার শুনে এগিয়ে যায়। তারা নার্গিসকে সংকটাপন্ন অবস্থায় উদ্ধার করে এবং বদরুলকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয়।

ছুরিকাঘাত করার মুহূর্তটি এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। 

ভিডিও:

[video:https://www.youtube.com/watch?v=ivwRjGaaeDE]

প্রিয় সংবাদ/এনএইচএস/টিআর 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...