ছবি সংগৃহীত

জনস্বাস্থ্যে অবদানে পুতুলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সম্মাননা

অটিজম স্পেক্ট্রাম ডিসঅর্ডারস মোকাবিলায় অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুলকে সম্মাননা প্রদান করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাঁর হাতে সম্মাননা তুলে দেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৫:৩৪ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ২০:০০
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৫:৩৪ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ২০:০০


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) অটিজম স্পেক্ট্রাম ডিসঅর্ডারস মোকাবিলায় অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুলকে সম্মাননা প্রদান করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাঁর হাতে সম্মাননা তুলে দেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বুধবার সন্ধ্যায় এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। জনস্বাস্থ্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের জন্য ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং-এর পরামর্শ অনুযায়ী নতুন এই পুরস্কারের প্রবর্তন করা হয়। সর্বপ্রথম যে দুইটি পুরস্কার প্রদান করা হয় তার একটি অর্জন করলেন সায়মা হোসেন। সায়মা হোসেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারস ও অটিজম-এর জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি। প্রতিবছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক জনস্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য দুইটি করে পুরস্কার প্রদান করবেন। একটি পুরস্কার প্রদান করা হবে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কাজ করে যাওয়া নিবেদিতপ্রাণ একজন ব্যক্তিকে এবং অপরটি প্রদান করা হবে একটি প্রতিষ্ঠানকে। ড. ক্ষেত্রপাল সিং বলেন, সায়মা হোসেন এ অঞ্চলে এবং বিশ্বব্যাপী অটিজম বিষয়ে বাংলাদেশের যে ভূমিকা তার মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন। অটিজম স্পেক্ট্রাম ডিজিজেস এবং চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট ডিজঅর্ডারস বিষয়ে তার কর্মপ্রচেষ্টা বহুমুখী অংশীদারিত্ব গঠনে সাহায্য করেছে। তার ফলশ্রুতিতেই জাতিসংঘ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ বিষয়ে বিশেষ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের জন্য এনএমসি কর্মসূচিকে অভিনন্দন জানিয়ে ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং বলেন, অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে অসংখ্য মানুষের জীবন বাঁচিয়ে এবং ম্যালেরিয়ার এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে যে চমৎকার সাফল্য দেখিয়েছে তার জন্য পূর্ব তিমুরের জাতীয় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রশংসার দাবিদার। এ কর্মসূচি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অন্যান্য ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জন্য অনুসরণীয় হতে পারে। পূর্ব তিমুরের ন্যাশনাল ম্যালেরিয়া কন্ট্রোল প্রোগ্রাম (এনএমসিপি)-এর গুরুত্বপূর্ণ অবদানেরও স্বীকৃতি প্রদান করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ২০০৬ সালে এখানে ২২৩০০০ এরও বেশি মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে ৬৮ জনেরও বেশি মারা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতা এবং দৃঢ় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে এনএমসিপি দেশব্যাপী ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে জোর প্রচেষ্টা চালায়। আর এর ফলে ২০১৩ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসে মাত্র ১০৪০ জনে, আর মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় মাত্র ৩ জনে। আক্রান্তের হার প্রতি ১০০০ জনের মধ্যে মাত্র ১ জনে নেমে আসে। এ সাফল্যের মধ্য দিয়ে ম্যালেরিয়ায় সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে দেশটি।