ছবি সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গে আবারো স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ

খেলার বল দেবে বলে স্কুল-ফেরত পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে রাস্তা থেকে ডেকে পানশালার পিছনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার পোলবায়। শুক্রবার বিকেলে এই ঘটনার জেরে ওই পানশালায় ভাঙচুর চালায় জনতা।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ০৩:২৫ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০১৮, ১৭:২১
প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, ০৩:২৫ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০১৮, ১৭:২১


ছবি সংগৃহীত
খেলার বল দেবে বলে স্কুল-ফেরত পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে রাস্তা থেকে ডেকে পানশালার পিছনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার পোলবায়। শুক্রবার বিকেলে এই ঘটনার জেরে ওই পানশালায় ভাঙচুর চালায় জনতা। প্রহৃত হন পানশালার মালিকের ছেলে। পুলিশকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ। ধর্ষণে জড়িত অভিযোগে আটক কালু মাহাতো নামের এক যুবক পোলবার দিল্লি রোডের সুগন্ধা মোড়ে পানশালার কাছেই একটি ছোট চায়ের দোকান চালায়। বাড়ি পোলবার অমরপুর গ্রামে। জনতা দোকানটি পুড়িয়ে দেয়। পুলিশ কালুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ে তাকে ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে জনতা। শেষ পর্যন্ত চুঁচুড়া পুলিশ লাইন থেকে বিশাল বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। নির্যাতিত ছাত্রীর বাড়ি কাছেই কামদেবপুর গ্রাম। তাকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ সুপার সুনীল চৌধুরী বলেন, “মেয়েটির বাড়ির লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হবে।” তদন্তকারীদের দাবি, আটক যুবক অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পোলবারই একটি হাইস্কুলে পড়ে ছাত্রীটি। এ দিন সেখানে সরস্বতী পুজোর খাওয়া-দাওয়া ছিল। স্কুল থেকে দিল্লি রোড ধরে হেঁটে একা বাড়ি ফিরছিল মেয়েটি। যাতায়াতের পথে আগেই তার পরিচয় হয়েছিল বছর চব্বিশের কালুর সঙ্গে। পুলিশের দাবি, বল দেওয়ার লোভ দেখিয়ে এ দিন সে মেয়েটিকে পানশালার পিছনে আমবাগানে ডেকে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে তার চিৎকার শুনে আশপাশের কয়েকটি কারখানার লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা দৌড়ে আসেন। এসময় কালু পালিয়ে যায়। মেয়েটির গ্রামে গ্রামে সেই খবর পৌছলে কয়েকশো মানুষ এসে কালুর দোকানে আগুন দেন। তার পরে চড়াও হন পানশালায়। তাঁদের অভিযোগ, পিছনের আমবাগানে ধর্ষণ হওয়া সত্ত্বেও পানশালার কর্তা ও কর্মীরা মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেননি, অভিযুক্তের নামও জানাননি। পরে ঘটনাস্থলে মোতায়েন হয়েছে পুলিশবাহিনী। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...