ছবি সংগৃহীত

প্রত্যাশার চেয়ে কমেছে নেসলের বিক্রয়

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ইউরোপের অর্থনীতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোয় সামনের দিনগুলোয় তারা ভালো ফল আশা করছে।

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০১৫, ০৪:০৫ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ১৭:২৫
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল ২০১৫, ০৪:০৫ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৮, ১৭:২৫


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) প্রথম প্রান্তিকে বিক্রির দিক থেকে বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে খারাপ ফল করেছে খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নেসলে। তবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ইউরোপের অর্থনীতি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোয় সামনের দিনগুলোয় তারা ভালো ফল আশা করছে। মার্চে শেষ হওয়া প্রান্তিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির বিক্রির পরিমাণ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ২০ দশমিক ৯২ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁতে (২১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার) দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে তাদের বিক্রির পরিমাণ ছিল ২০ দশমিক ৮২ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রি ২১ দশমিক ৩ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এর পরও কিটক্যাট চকোলেট ও নেসপ্রেসো কফি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রথম প্রান্তিকে তাদের অর্গানিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪ দশমিক ৪ শতাংশ, যা বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসকৃত ৪ দশমিক ১ শতাংশের প্রবৃদ্ধির তুলনায় বেশি। সার্বিক বিক্রয়ের পরিমাণ থেকে মুদ্রা বিনিময় হার ও অন্যান্য অধিগ্রহণ কার্যক্রমের প্রভাব বাদ দিলে অর্গানিক বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। চলতি বছরের জন্য নেসলে অর্গানিক বিক্রয় প্রবৃদ্ধিতে ৫ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে নেসলের একজন শীর্ষ পর্যায়ের নির্বাহী স্টেফান কিন্ডলার জানান, ইউরোপের ভোক্তা আস্থা এখন ধীরে হলেও বাড়ছে। এর মধ্যে ফ্রান্স ও স্পেনই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হচ্ছে। ফ্রান্সের ডানোন ও ইউনিলিভারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীরা বর্তমানে বেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এ মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, দুই বছরের শ্লথ কার্যক্রম পাড়ি দিয়ে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্য নির্মাতারা এখন পুনরুদ্ধারের পথে রয়েছে। এর মধ্যে ব্যয়সংকোচন নীতি ও দুর্বল প্রবৃদ্ধির কারণে উন্নত অর্থনীতিগুলোয় সবচেয়ে সংকটে ছিল নেসলে। তবে চীন ও ফিলিপাইনের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোয় কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে সে সংকট কাটিয়ে ওঠার প্রচেষ্টা নিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। মুদ্রা বিনিময় হারের উত্থান-পতনেও ভুক্তভোগী ছিল রাজস্বের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নেসলে। চলতি বছর ইউরোর বিপরীতে ১৫ শতাংশ মান বেড়ে আরো শক্তিশালী হয়েছে সুইস ফ্রাঁ, ফলে ফ্রাঁতে উল্লেখ করা নেসলের বিদেশে বিক্রির পরিমাণ অনেক কমে যায়। প্রতিষ্ঠানটি সাধারণত প্রথম প্রান্তিকের আয় বিবরণী প্রকাশ করে না। গত বছর ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় নেসলের বিক্রি কমেছিল ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। অপরিবর্তিত ছিল এশিয়া ওশেনিয়া ও সাব-সাহারা অঞ্চলে। আর চলতি বছরের শুরুটা ভালো হয়নি প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজারে চীনেও। এর পরও বিক্রয়ে পর্যাপ্ত গতি ফিরিয়ে আনতে নেসলে কাজ করে যাবে বলে অঙ্গীকারের কথা জানালেন প্রধান নির্বাহী পল বালকে।