ছবি সংগৃহীত

সিনেমাকেও হার মানায় অনন্ত জলিলের যে গল্পটি

কেবল সিনেমায় এতকাল আমরা ঘটতে দেখেছি এমন ঘটনা। তবে লোকে যতই নিন্দা করুক না কেন, অনন্ত জলিল সবসময় প্রমাণ করেছেন যে কেবল পর্দার নামসর্বস্ব হিরো নন তিনি। বরং বাস্তব জীবনেও তিনি হিরো। নিজের ধর্মের ও সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাসই তাঁকে এমন কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে বলে অনন্ত জানান। কিন্তু এবার কী করলেন অনন্ত জলিল? আসুন জানি মানুষ অনন্তের গল্প!

Nusrat Sharmin Liza
লেখক
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৪, ১৮:২৪ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০১৮, ১০:০২
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৪, ১৮:২৪ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০১৮, ১০:০২


ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম)- অনন্ত জলিল বরাবরই বিপদের বন্ধু হিসেবেই পরিচিত সবার কাছে। যখনই কেউ বিপদে পড়ে তার কাছে সাহায্য চায়, তখনই অনন্ত সত্যিকারের নায়কের মতই দুই হাত বাড়িয়ে দেন। সব সময়েই তিনি অভাবী এবং বিপদগ্রস্তদেরকে সহায়তা করে এসেছেন। আর তার এই মহৎ স্বভাবের পেছনে আছে তার একটি মহৎ চিন্তাধারা। তিনি মনে করেন সৃষ্টিকর্তা যেহেতু তাঁকে অনেক দিয়েছেন, তাই তিনি সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। তিনি এটাকে তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। আর তাই কখনোই বিপদগ্রস্ত কেউ তাঁর কাছে সাহায্যের হাত বাড়ালে খালি হাতে ফেরত যায় না। সম্প্রতি অনন্ত জলিল সাহায্য করেছেন তেমনই একজন বিপদগ্রস্ত শিশুকে। পটুয়াখালীর মোঃ সুজনের বয়স মাত্র ১২ বছর। অত্যন্ত দরিদ্র ঘরের ছেলে সুজন ভুগছে একটি শারীরিক জটিলতায়। গত তিন বছর যাবত সুজন Chyious Ascites নামে একটি জটিল রোগে আক্রান্ত। ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাসপাতাল এবং ইউনাইটেড হাসপাতালে তাকে ডাক্তার দেখানো হয়েছে। কিন্তু হাসপাতাল থেকে বলা হয়েছে বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। তার চিকিৎসার জন্য অতি দ্রুত তাকে ইন্ডিয়া নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু সুজনের পরিবারের পক্ষে এই চিকিৎসার ভার বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। গত ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যার সময় সুজন এবং সুজনের মামা এজে আই গ্রুপের সামনে অনন্ত জলিলের সাথে দেখা করার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন। অনন্ত জলিল যখন অফিস থেকে বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছেন তখন তিনি ছেলেটিকে এবং ছেলেটির মামাকে দেখতে পান। অনন্ত তাদেরকে কাছে ডেকে সমস্ত ঘটনা শুনে সুজনের পরিবারের ভিসা, পাসপোর্ট এবং ইন্ডিয়া যাওয়ার যাবতীয় খরচ দিয়ে দেন এবং সুজনের দ্রুত সুস্থতা লাভের কামনা করেন। কেবল সিনেমায় এতকাল আমরা ঘটতে দেখেছি এমন ঘটনা। তবে লোকে যতই নিন্দা করুক না কেন, অনন্ত জলিল সবসময় প্রমাণ করেছেন যে কেবল পর্দার নামসর্বস্ব হিরো নন তিনি। বরং বাস্তব জীবনেও তিনি হিরো। নিজের ধর্মের ও সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাসই তাঁকে এমন কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে বলে অনন্ত জানান।

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...