জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সোমবার র‍্যালি বের করেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

বর্ণাঢ্য আয়োজনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত

দুপুরে নতুন একাডেমিক ভবনের নিচতলায় বার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দিনব্যাপী ভাষা শহিদ রফিক ভবনের নিচতলায় প্রকাশনা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

শেখ নোমান
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০১৮, ২১:৩২ আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০১৮, ২১:৩২
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০১৮, ২১:৩২ আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০১৮, ২১:৩২


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সোমবার র‍্যালি বের করেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

(ইউএনবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রয়োদশ বর্ষপূর্তি উৎসব উদযাপিত হয়েছে।

২২ অক্টোবর, সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান

পরে বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ১৩তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  উপলক্ষে একটি র‌্যালি বের করেন। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার থেকে শুরু করে পুরান ঢাকার রায় সাহেব বাজার প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।

দুপুরে নতুন একাডেমিক ভবনের নিচতলায় বার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দিনব্যাপী ভাষা শহিদ রফিক ভবনের নিচতলায় প্রকাশনা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ চত্বরে দুপুরে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি পরিবর্তন করা। বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান আহরণ এবং পাঠদান দুইটি কাজই করে থাকে। আমরা এটি করতে পেরেছি। ইউজিসি এবং সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষকরা বিভিন্ন গবেষণায় ব্যস্ত। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারুকলা, সংগীত, নাট্যকলার মতো বিষয় খোলার মাধ্যমে সুকুমার বৃত্তির সংস্কৃতির উন্নয়ন ঘটেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় সমস্যা ছিল একাডেমিক ও আবাসন। সরকার আমাদের কেরাণীগঞ্জে ২০০ একর জমি প্রদান করেছে। এখানে মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, আবাসন ব্যবস্থা করা হলে এ বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা হবে।’

আলোচনা সভায় রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় ট্রেজারার অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন বক্তব্য দেন। সে সময় বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, পরিচালক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রিয় সংবাদ/শান্ত