বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

দুঃখ প্রকাশ করে অব্যাহতি পেলেন বিচারক

এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়া ও বিস্তারিত শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুলাই দিন ধার্য করেছে আদালত।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩ জুলাই ২০১৯, ১৭:৩০ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৯, ১৭:৩০
প্রকাশিত: ০৩ জুলাই ২০১৯, ১৭:৩০ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৯, ১৭:৩০


বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পরও শতবর্ষী বৃদ্ধা রাবেয়া খাতুনের মামলার কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. আল মামুন। দুঃখ প্রকাশ করে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে সাময়িক অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি।

৩ জুলাই, বুধবার এ বিষয়ে এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়া ও বিস্তারিত শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুলাই দিন ধার্য করেছে আদালত।

একই সঙ্গে মামলার সংশ্লিষ্ট আসামি সন্ত্রাসী জুলহাস জীবিত নাকি মারা গেছেন -এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলেছে হাইকোর্ট। এ ছাড়া ওই আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সাহাবুদ্দিন মিয়াকেও ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বিচারকের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি আটর্নি জেনারেল জাহিদ সরওয়ার কাজল।

শুনানিতে এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, নিম্ন আদালতের প্র্যাকটিস পেশকার আদেশ লিখে দেন বিচারক স্বাক্ষর করেন। আমরা পেশকারকে শোকজ করব। তারপর এ বিষয়ে লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে পারব। তখন আদালত বিচারককে উদ্দেশ্যে করে বলেন, আপনারা বিচার বিভাগের (জুডিশিয়ারির) অংশ। আপনাদের সুনাম মানে বিচার বিভাগের সুনাম, আর আপনাদের দুর্নাম মানে বিচার বিভাগের দুর্নাম।

এ পর্যায়ে বিচারক মো. আল মামুন এবং এপিপি শাহাবুদ্দিন মিয়াকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেয় আদালত। এর আগে শতবর্ষী বৃদ্ধার পক্ষের আইনজীবী মো. আশলাফুল আলম নোবেল, রাবেয়া খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্র আদালতে উপস্থাপন করেন।

এর আগে হাইকোর্টে স্থগিত থাকার পরও মামলা পরিচালনার কারণ ব্যাখ্যা করতে বুধবার ৩ জুলাই, সকাল সোয়া ১০টার দিকে হাইকোর্টে হাজির হন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারকক মো. আল মামুন।

আদেশের পর আবেদনকারী আইনজীবী মো. আশরাফুল আলম নোবেল সাংবাদিকদের বলেন, বৃদ্ধার বিরুদ্ধে একটি মামলা হাইকোর্টের আদেশের স্থগিত করার পরও মামলা পরিচালনা করায় ওই বিচারককে তলব করেছিল আদালত। তলবে ঢাকা জজ কোর্টের ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক ও এপিপি আজ (বুধবার) উপস্থিত হয়ে তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে দুঃখ প্রকাশ করে সাময়িক অব্যাহতি পেয়েছেন।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল