বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

রিফাত হত্যায় ৯ জন গ্রেফতার, হাইকোর্টে প্রতিবেদন

এজাহারভুক্ত গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মামলার ২ নম্বর আসামি রিফাত ফরাজী (২৩), ৪ নম্বর আসামি চন্দন (২১), ৯ নম্বর আসামি মো. হাসান (১৯), ১১ নম্বর আসামি মো. অলিউল্লাহ অলি (২২) ও ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় (২১)।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪ জুলাই ২০১৯, ১৩:১৫ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০১৯, ১৩:১৫
প্রকাশিত: ০৪ জুলাই ২০১৯, ১৩:১৫ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০১৯, ১৩:১৫


বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) চাঞ্চল্যকর শাহ নেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৪ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিরা এজাহারভুক্ত আসামি।

৪ জুলাই, এ বিষয়ে শুনানির সময় বরগুনা জেলার ডিসি ও এসপির প্রতিবেদন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্টদের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লা আল মাহমুদ বাশার। রিফাত শরীফের হত্যাকারীরা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে সে বিষয়ে দেশের সব থানায় অ্যালার্ট জারি করতে গত ২৭ জুন নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল।

গত ২ জুলাই এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। নয়ন বন্ড নিহতের পরের দিন দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই দিনই তার বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী।

এজাহারভুক্ত গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মামলার ২ নম্বর আসামি রিফাত ফরাজী (২৩), ৪ নম্বর আসামি চন্দন (২১), ৯ নম্বর আসামি মো. হাসান (১৯), ১১ নম্বর আসামি মো. অলিউল্লাহ অলি (২২) ও ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় (২১)।

এ ছাড়া রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্ততে সন্দেহভাজন গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. নাজমুল হাসান (১৯), তানভীর (২২), মো. সাগর (১৯), কামরুল হাসান সাইমুন (২১) ও রাফিউল ইসলাম রাব্বি।

উল্লেখ্য, ২৬ জুন বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশাকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান রিফাত। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ আরও দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে তারা। রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামানো যায়নি। তারা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়।

পরে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ