অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফরি প্রেস্টন জেফ বেজোস। ছবি: সংগৃহীত

অ্যামাজনের যেসব তথ্য আপনি জানেন না

অ্যামাজনের লোগোতে ইংরেজি অক্ষর ‘এ’-এর নিচ থেকে ‘জেড’ অক্ষরের নিচ পর্যন্ত একটি বাঁকানো তীর লক্ষ্য করা যায়।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০১৯, ১১:৫৬ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০১৯, ১১:৫৬
প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০১৯, ১১:৫৬ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০১৯, ১১:৫৬


অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফরি প্রেস্টন জেফ বেজোস। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) যাত্রা শুরু করার পর ২৫ বছর পাড় করলো প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যামাজন। ১৯৯৪ সালের ৫ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা শুরু হয় এই প্রতিষ্ঠানটির। জেফরি প্রেস্টন জেফ বেজোসের হাত ধরে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠানটির জয়জয়কার এখন বিশ্বজুড়ে।

অ্যামাজনকে যারা চেনেন তারা হয়তো জানেন না প্রতিষ্ঠানটির নামকরণের সময় বেজোসেকে দ্বিধায় পড়তে হয়। তিনি প্রথমে এর নাম ঠিক করেন ‘কাদাব্রা’।

তবে আইনজীবীর পরামর্শে ওই নাম থেকে সরে আসতে হয় তাকে। পরে ‘রিলেন্টনেস’ নামটিকে পছন্দ করেন বেজোস। তবে শেষ পর্যন্ত নাম হিসেবে অ্যামাজনকেই বেছে নেন বিশ্বের ধনীদের তালিকার প্রথম স্থান অধিকারকারী এই ব্যক্তিটি।

কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যকলাপ ফুটে ওঠে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব লোগোতে। অ্যামজনের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। অ্যামাজনের লোগোতে ইংরেজি অক্ষর ‘এ’-এর নিচ থেকে ‘জেড’ অক্ষরের নিচ পর্যন্ত একটি বাঁকানো তীর লক্ষ্য করা যায়। এর অর্থ হলো অ্যামাজনে ‘এ টু জেড’ (ইংরেজি বর্ণমালার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত) অর্থাৎ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছুই পাওয়া যায়।

আইফোন প্রস্তুতকারক অ্যাপল প্রতি মাসেই অ্যামাজনকে টাকা দিয়ে থাকে। যুক্তারাষ্ট্রের মুদ্রায় প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার। অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস ব্যবহারের জন্য এই অর্থ গুনতে হয় অ্যাপলকে।

১৩১ বিলিয়ন ডলারের মালিক বেজোসের প্রতিষ্ঠানে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন দেওয়া নিষিদ্ধ। ২০০৪ সালে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন কোনো চিন্তাভাবনা থাকলে তা চার থেকে পাঁচ পেজের মধ্যে লিখে দিতে হয়।

সারাবিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির তিন লাখ কর্মী রয়েছে। এ ছাড়া অ্যামাজনের ওয়ারহাউজে বর্তমানে ৪৫ হাজার রোবট কর্মী কাজ করে। মজার বিষয় হচ্ছে প্রযুক্তিবিষয়ক এই প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করার সময় শুধুমাত্র বই বিক্রি করতো। পড়ে এর সঙ্গে খেলনা জাতীয় বস্তু যুক্ত হয়। এখন সব কিছুই মেলে অ্যামাজনে।

১৯৯৫ সালে বই বিক্রি শুরু করলেও ২০০১ সালে লাভের মুখ দেখে বেজোসের অ্যামাজন। এখন ৪০ মিনিট সাইট ডাউন থাকলে প্রতিষ্ঠানটি ৪ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার লোকসান গুণে। যা ২০১৩ সালে ঘটেছিল।

প্রিয় প্রযুক্তি/রাকিব/আশরাফ