সোমবার আদালত থেকে থানায় নেওয়া হচ্ছে আসামিদের। ছবি: প্রিয়.কম

শেরপুরে ৬ জেএমবি সদস্যকে কারাদণ্ড

অবশ্য নাজমুস শাহাদাত রানাসহ পাঁচ আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষিত হলেও অপর আসামি আমির হামজা খলিল পলাতক রয়েছেন।

সানী ইসলাম
কন্ট্রিবিউটর
প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০১৮, ২২:০৩ আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০১৮, ১৪:৪৮
প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০১৮, ২২:০৩ আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০১৮, ১৪:৪৮


সোমবার আদালত থেকে থানায় নেওয়া হচ্ছে আসামিদের। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) শেরপুরে সন্ত্রাস দমন আইনের মামলায় ছয় জেএমবি সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

২৫ জুন, সোমবার শেরপুরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) এম. এ নূর এ রায় দেন।

আদালত শহরের ঢাকলহাটী মহল্লার রাজা মিয়ার ছেলে নাজমুস শাহাদাত রানাকে (২৮) সাড়ে সাত বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়।

এ ছাড়া মামলার অপর পাঁচ আসামি শহরের পূর্বশেরীর ফজলুর রহমানের ছেলে মনিরুজ্জামান মানিক ওরফে কাওসার (২৮), নওহাটা মহল্লার মনসুর আলীর ছেলে মারুফ হোসেন রনি (৩১), বাগরাকসা মহল্লার হাজী আতাহার আলীর ছেলে আমির হামজা খলিল (৩২), নালিতাবাড়ীর নাকশী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে তানভীর (৩২) ও জামালপুরের রানাগঞ্জ গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সোয়েবকে (৩৩) সাড়ে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অবশ্য নাজমুস শাহাদাত রানাসহ পাঁচ আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষিত হলেও অপর আসামি আমির হামজা খলিল পলাতক রয়েছেন। 

রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের ভারপ্রাপ্ত পিপি এডভোকেট অরুণ কুমার সিংহ রায় সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামিপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আব্দুল মজিদ বাদল ও এডভোকেট এম কে মুরাদুজ্জামান অসন্তোষ প্রকাশ করে খুব দ্রুতই উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করবেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২২ জানুয়ারি নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্য শেরপুর শহরের ঢাকলহাটী মহল্লার নাজমুস শাহাদাত রানার বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে ওই বাসা থেকে ১৭টি জিহাদি দাওয়াতপত্র ও বেশ কিছু সিডি-ক্যাসেটসহ নিষিদ্ধ সংগঠনের আলামত উদ্ধার করে পুলিশ। সে সময় রানা ও তার সহযোগী মনিরুজ্জামান মানি ওরফে কাওসারকে আটক করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শেরপুর সদর থানার তৎকালীন এএসআই সজীব খান বাদী হয়ে নাজমুস শাহাদাত রানা ও কাওসারসহ সাতজনকে স্বনামে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করে ২০০৮ সালের সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশের ৮/৯ ধারায় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে আসামিরা বিভিন্ন পর্যায়ে আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে যায় এবং একপর্যায়ে আবুল কালাম আজাদ নামে এক আসামি মৃত্যুবরণ করে।

চলতি বছরের ২৩ মে ওই মামলায় ৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। ১৮ জুন রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে উপস্থিত পাঁচ আসামির জামিন বাতিল ও অপর আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দেওয়ার পর সোমবার আদালত এ রায় দেয়।

প্রিয় সংবাদ/হাসান/শান্ত 

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...