full-screen
remove-fullscreen
avatar

মো. মনিরুজ্জামান

প্রখ্যাত বংশীবাদক

মো. মনিরুজ্জামান। প্রখ্যাত বংশীবাদক। জন্ম ১৯৬০ সালের ১ লা জানুয়ারী। তার বাবা উপমহাদেশের প্রখ্যাত বংশীবাদক মরহুম ওস্তাদ আব্দুর রহমান এবং মা ফরিদুন নেসা। মো. মনিরুজ্জামান তার বাবার কাছেই দীর্ঘ আট বছর বাঁশী বাজানোর শিক্ষা গ্রহন বাঁশীতে উচ্চাঙ্গ সংগীতের তালিম নেন। তালিম নেয়ার পরেই প্রথমে রেডিও বাংলাদেশ কমার্শিয়াল সার্ভিসে চুক্তিভিত্তিক এবং পওে রেডিও বাংলাদেশ জনসংখ্যা কার্যক্রমে নিয়মিত চাকুরি গ্রহন করেন। ১৯৭৯ সালে জাতীয় পারফর্মিং আর্টস একাডেমিতে যন্ত্রশিল্পী হিসেবে চাকুরি গ্রহন করেন। এ সময় তিনি বিদেশি প্রশিক্ষকের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক স্টাফ নোটেশন-এর উপর প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। পরবর্তীতে জাতীয় পারফর্মিং আর্টস একাডেমি, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সাথে একিভ’ত হলে শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা বিভাগে চাকুরি গ্রহন করেন। তিনি বর্তমানে শিল্পকলা একাডেমির স্টাফ আর্টিষ্ট (বংশীবাদক) হিসেবে কর্মরত। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে উচ্চাঙ্গ সংগীতে (বাঁশী) বিশেষ শ্রেণীর শিল্পী। তিনি দেশের সব ক’টি চ্যানেলেই নিয়মিত বাঁশী ও স্যাক্সোফোনে উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিবেশন করেন। তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ গ্রহন কওে থাকেন। বাংলাদেশ সরকার ও বেসরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে তিনি যুগশ্লোভিয়া , হংকং, রাশিয়া, চীন, ডেনমার্ক, নরওয়ে , কাতার, তুরস্ক, ভারত, জাপান, ব্রিটেন, জার্মান, থাইল্যান্ড, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, নেপাল, আয়ারল্যান্ড, দুবাই, পাকিস্তান, কেনিয়া, জাম্বিয়া, সুইডেন, ইউএসএ, কানাডা সহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেন। দক্ষতা : মো: মনিরুজ্জামান বাঁশের বাঁশী, সিলভার ফ্লুট, পিকলো ফ্লুট, রেকডার ফ্লুট, পেনটাটনিক ফ্লুট, চাইনিজ ফ্লুট, স্যাক্সোফোন ও সোপরানো স্যাক্সোফোন বাজাতে দক্ষ।

চব্বিশ ঘণ্টায় বাংলাদেশঃ ()