full-screen
remove-fullscreen
avatar

রণবীর সিং

অভিনেতা

রণবীর সিংয়ের পুরো নাম রণবীর সিং ভাবনানি। তার জন্ম ৬ জুলাই, ১৯৮৫ সালে, মুম্বাইতে। ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি, ব্লুমিংটন থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর রণবীর সিং ভারতে ফিরে এসে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ২০১০ সালে তিনি যশরাজ ফিল্মস প্রযোজিত 'ব্যান্ড বাজা বারাত' ছবিতে অভিনয় করেন। এই ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে সমালোচকদের দ্বারাও প্রশংসিত হয়। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য রণবীর সিং শ্রেষ্ঠ পুরুষ নবাগত বিভাগে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পান। এরপর একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে রণবীর সিং সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেন। ২০১৩ সালে 'লুটেরা' ছবিতে তিনি এক ছদ্মবেশী ডাকাতের চরিত্রে অভিনয় করেন। সেই বছরই 'গলিয়োঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা' ছবিতে তিনি এক গুজরাতি যুবকের ভূমিকায় অভিনয় করেন। শেষোক্ত ছবিটিতে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের মনোনয়ন পান। এরপর 'গুন্ডে' ছবিতে তিনি একটি গুন্ডার চরিত্রে অভিনয় করেন। তার বাবার নাম জগজিৎ সিং ভাবনানি ও মায়ের নাম অঞ্জু ভাবনানি। তার বোনের নাম ঋতিকা ভাবনানি। অভিনেতা অনিল কাপুরের মেয়ে অভিনেত্রী সোনম কাপুর, প্রযোজক রিয়া কাপুর রণবীর সিংয়ের জ্ঞাতি বোন। রণবীর সিং তার নাম থেকে "ভাবনানি" অংশটি বাদ দেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন যে, তার মনে হয়েছে তার পুরো নামটি বেশ বড়। রণবীর বরাবরই অভিনেতা হতে চেয়েছিলেন। স্কুলে তিনি একাধিক নাটক ও বিতর্কে অংশ নেন। একবার এক জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তার দাদি তাকে নাচতে বলেছিলেন। রণবীর বলেন, তিনি ১৯৯১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউড চলচ্চিত্র 'হাম'-এর "চুম্মা চুম্মা" গানটি গেয়ে নেচেছিলেন। অভিনয় ও নাচ তাকে ছোটবেলা থেকেই আকর্ষণ করত। যদিও মুম্বাইতে এইচ. আর. কলেজ অফ কমার্স অ্যান্ড ইকোনমিকসে যোগ দেবার পর তিনি চলচ্চিত্র থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেন। অভিনয়ের ব্যাপারে সেই সময় নিশ্চিত হতে না পেরে তিনি লেখালিখিতে মন দেন। এরপর তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ব্লুমিংটনের ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি অভিনয় শিখবেন বলে স্থির করেন। পড়াশোনা শেষ করে মুম্বাই ফিরে এসে তিনি কয়েক বছর বিজ্ঞাপনের কপিরাইটার হিসেবে কাজ করেন। তারপর সহকারী প্রযোজক হিসেবে কাজ শুরু করেন। কিন্তু সেই সময় অভিনয়ের ইচ্ছা তার মনে প্রকাশ পায়। তখন তিনি পরিচালকদের কাছে নিজের পোর্টফোলিও পাঠানো শুরু করেন। যদিও প্রথম দিকে তিনি কোনো উল্লেখযোগ্য কাজের প্রস্তাব পাননি।

চব্বিশ ঘণ্টায় বাংলাদেশঃ (১১)