নবি-রাসুল

শবে মিরাজের তাৎপর্য

কয়েকবার সুপারিশ করার পর নামাজের ওয়াক্ত কমিয়ে পাঁচে আনা হয়।

ভোরের জোনাকি ১৪ এপ্রিল ২০১৮, ২০:০২

যে ছবি যায় না আঁকা

তার সুগন্ধিতে মেশকের ঘ্রাণও তুচ্ছ মনে হতো। তার মসৃণ ভরাট পদযুগল। পদক্ষেপ ছিল দৃঢ়।

HM Sabbir Ahmed ০৯ এপ্রিল ২০১৮, ১৭:২২

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

আজ (২ ডিসেম্বর) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। মুসলমানদের সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম। একই তারিখে ৬৩ বছর বয়সে তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।

প্রিয় ডেস্ক ০২ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৯:২৯

নবী-রাসূলগণ কি নিষ্পাপ ছিলেন?

নিষ্পাপ বলা হয় এমন সত্তাকে যিনি আকীদা-বিশ্বাস, ইচ্ছা-আকাঙ্খা, স্বভাব-চরিত্র, ইবাদত-বন্দেগী, লেনদেন- কথাবার্তা, কাজ-কর্ম ইত্যাদি সবক্ষেত্রে পাপের উৎস থেকে সর্বদা মুক্ত ও নিরাপদ থাকেন।

মিরাজ রহমান ২৩ মে ২০১৭, ১৩:৩৬

নবুওয়াত ও রিসালাত কি?

প্রত্যেক নবী-রাসূলগণ আল্লাহ মহান কর্তৃক মনোনায়নগত যে দায়িত্ব নিয়ে ধরাতে আর্বিভাব করেছেন সেটাই মূলত নবুয়াত বা রিসালাত।

মিরাজ রহমান ১৭ মে ২০১৭, ১৫:০৬

নবী-রাসূলের পরিচয় এবং তাঁদের প্রতি বিশ্বাস

মানুষের হিদায়েতের জন্য আল্লাহ তাআলা যে সব মহামানবকে মনোনীত করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন, তাঁদেরকেই পরিভাষায় ‘নবী-রাসূল’ বলা হয়। ‘রাসূল’ শব্দের অর্থ প্রেরিত পয়গাম্বর।

মিরাজ রহমান ১৬ মে ২০১৭, ১২:৫৯

পবিত্র কোরআনে কোন নবীর নাম কতবার আলোচিত হয়েছে?

পবিত্র কোরআনে ২৫ জন নবী-রাসূলদের নাম আলোচিত হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেছেন পবিত্র কোআরনের মোট ২৬ জন নবী-রাসুলের নাম উল্লেখ রয়েছে। কোন নবীর নাম পবিত্র কোরআনে কতবার উল্লেখ হয়েছে?

মিরাজ রহমান ২৬ ডিসেম্বর ২০১৬, ১০:৩২

সাহিত্য-সংস্কৃতিপ্রেমী মহানবি [সা.]

আরবের বিভিন্ন গোত্রের নামকরা কবিরা রাসুলের [সা.] দরবারে কবিতা ও বাগ্মীতার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়ার জন্য এলে মহানবি [সা.] তাদের সামনে তাঁর কবি যোদ্ধাদের এগিয়ে দিতেন। কবিতা ও বাকযুদ্ধে ধরাশায়ী হয়েছে অনেকেই মুসলমান হয়ে পরবর্তীকালে ইসলামের কলম সৈনিকে পরিণত হয়েছেন। যেমন কাব বিন যহায়র, কবি কুররা বিন হাবীবা (রা.) প্রমুখ ছিলেন এমনি ধরনের কবি।

ফয়জুল আল আমীন ৩০ এপ্রিল ২০১৬, ০৫:০৫

দারিদ্রতাকে পছন্দ করতেন নবিজি [সা.]

মহান মাবুদের দরবারে নবিজি [সা.] প্রার্থনা করেছিলেন,‘হে আল্লাহ! তুমি আমাকে দরিদ্র অবস্থায় রাখ, দরিদ্র অবস্থায় আমার মৃত্যু দিও এবং দরিদ্রদের সাথে আমার হাশর করিও।’ (তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ)

ফয়জুল আল আমীন ২৮ এপ্রিল ২০১৬, ০২:২০

কোনো ধরনের অপচয় পছন্দ করতেন না নবিজি [সা.]

অফিস-আদালত, বাসা-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট, টয়লেটসহ অপ্রয়োজনীয় স্থানে প্রায়ই আমরা বিদ্যুতের অপচয় করি। বিশেষ করে কোনো দিবস বা অনুষ্ঠান হলে আলোকসজ্জা, লাইটিংয়ের নামে বিদ্যুতের অপচয় আমাদের জাতীয় জীবনে বিদ্যুৎ সংকট মহামারীর আকার ধারণ করেছে। যা রোধ করা সবার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।

ফয়জুল আল আমীন ২৬ এপ্রিল ২০১৬, ০৩:১৮

loading ...