সাংবাদিক ফাগুন হত্যা

‘মুখ ভার দেশটার ঠোঁটে তোদেরই হাসি ফোটাতে হবে’

ফাগুন রেজা খুন হয়েছেন তিন মাস হলো। এখনো এর কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তিন মাসের মাথায় ছেলে ফাগুন রেজা কাছে তৃতীয় চিঠি লিখেছেন তার বাবা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কাকন রেজা।


প্রিয় ১ মাস আগে

এই সমাজ কোথায় যাচ্ছে, প্রশ্ন আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘পৃথিবীতে অনেক রকম ভার আছে, কিন্তু সন্তান হারানোর ভারের কাছে এমন বেদনাদায়ক ভার মানুষের জীবনে আর নেই।’


প্রিয় ২ মাস, ৩ সপ্তাহ আগে

সাংবাদিক ফাগুন হত্যার একমাস, মামলার অগ্রগতি নেই

জামালপুর রেলওয়ে পুলিশ, পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং র‌্যাবের নজরে থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত ফাগুন হত্যার কোনো কূল-কিনারা হয়নি।


প্রিয় ৩ মাস আগে

ফাগুন হত্যা এবং কিছু প্রশ্ন

ফাগুনের মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত করেছে কে? পুলিশ উদ্ধার করে কি তাকে হাসপাতালে নিয়েছিল? এমনও তো হতে পারে, সে আরও কিছুক্ষণ বেঁচে ছিল। মাথায় আঘাতের কারণে অচেতন অবস্থায় ছিল।


প্রিয় ৩ মাস আগে

আমাদের সকল দিনই এখন ‘টিয়ারস ডে’- ‘অশ্রু দিবস’

আমি ময়মনসিংহে একটি সেমিনারে ছিলাম সারাদিন। যাব না ভেবেছিলাম, কিন্তু ‘বাবা দিবস’টি এড়িয়ে যেতে ইচ্ছা করেই গিয়েছিলাম। বাবা দিবসে রাত বারোটার পর আমাকে ‘উইশ’ করা হতো না ফাগুনের।


প্রিয় ৩ মাস, ১ সপ্তাহ আগে

যে পিতা সন্তানের লাশ সনাক্ত করতে ভয় পায় আমি তাকে ঘৃণা করি

অনেক ভয় পান। মৃত্যুকে ভয় পান, ধ্বংসকে ভয় পান। ভয় পান বলেই ভয় তাদের চেপে ধরে। সারাক্ষণ ভয় নিয়ে বাঁচেন। অন্ধকার ঘরে আঁতকে উঠেন। কাগজের পাতায় নিহতের লাশ দেখে কুঁকড়ে যান।


প্রিয় ৩ মাস, ৩ সপ্তাহ আগে

‘ফাগুন আমাদের অহংকার, এ দেশে কেউ নিরাপদ নয়’

এমন বিবেকহীন এমন নির্লিপ্ত এমন বশংবদ সমাজ এ দেশে অতীতে কখনও ছিল না। ছিল না এমন দুর্নীতিবাজ, লুটেরা, হন্তারকের এমন নিরাপদ আবাসভূমি। এখানে এখন তারুণ্য নির্জীব, ইয়াবাঘুমে অসাড়, যৌবন বীর্যহীন, কাপুরুষত্ব এদের পরিচয়।


প্রিয় ৩ মাস, ৩ সপ্তাহ আগে

আর কত হন্তারকের হাত তৈরি রয়েছে আরও কত প্রাণ সংহারে?

ছেলেটি প্রায় ফাগুনের সমবয়সী কিংবা ছোট। কিন্তু ওর চোখেমুখে একটা প্রত্যয় ছিল। এই প্রত্যয় আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিটাকে বাঁচানোর জন্য বড় প্রয়োজন।


প্রিয় ৩ মাস, ৩ সপ্তাহ আগে

আমি নিহত সাংবাদিক ফাগুন রেজার পিতা বলছি

এই যে মুখ নিচু করে থাকার সংস্কৃতি চালু হয়েছে, তাতে কি হন্তারকদেরই আস্কারা দেওয়া হচ্ছে না, তাদের আরেকটা হত্যার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে না? আমরা কি বসে আছি আরেকটি লাশ বুকে তুলে নেয়ার জন্য, আমাদের মতন আরো দুর্ভাগা বাবা-মার ভেঙে যাওয়া বুক আর ভেসে যাওয়া চোখ দেখার জন্য? এই প্রশ্নটা অত্যন্ত জরুরি আমাদের বেঁচে থাকা সন্তানদের জন্য, আর আমাদের ক্রমে মরে যাওয়া দেশটার জন্য।


প্রিয় ৩ মাস, ৪ সপ্তাহ আগে
loading ...