review banner

মতামত

বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন সুশীল কৈরালা

আমিনুল ইসলাম সুজন: নিজ দেশে মুক্তির সংগ্রামে বিতাড়িত থাকলেও কৈরালা ১৯৭১ সালে ভারতে অবস্থানকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পক্ষে কথা বলেন ও সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি অনুধাবন করেছিলেন, পৃথিবীর সব দেশের মানুষের মুক্তিই তাঁর আদর্শের মুক্তি।

প্রকাশ্যে চুমু’র ইভেন্ট, আমি বিরোধী

জব্বার হোসেন: তথাকথিত প্রগতিশীলদের নিয়ে ঝামেলার শেষ নেই। সবচেয়ে বড় ঝামেলা তারা নিজেরাই। তারা রক্ষণশীলদের চেয়েও রক্ষণশীল। প্রতিক্রিয়াশীলদের চেয়েও প্রতিক্রিয়াশীল। মৌলবাদীদের চেয়েও বড় মৌলবাদী। তাদের ধারণা ‘কিছু বিষয়’ নিয়ে চিৎকার, চেঁচামেচিই বোধ হয়, মত প্রকাশের স্বাধীনতা। মুক্ত চিন্তা। অথচ অন্যের মতের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নেই, মোটেও। আধুনিকতার ধারণাও বড্ড অস্পষ্ট, অসংলগ্ন।

মাশরাফি ‘হিট’ এবং ....

দেবব্রত মুখোপাধ্যায়: আমার লেখা একটা বইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সব খেলোয়াড়; যাদের আমি দেবদূত বলে জ্ঞান করি, তারা এসে এমন করে মাতাচ্ছেন! মাশরাফি সন্ধে বেলায় ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে স্বীকার করেছিলেন, ১২টা বছর ধরে আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটের টেনশন সহ্য করার অভিজ্ঞতা থাকলেও সেদিন তাকেও ঘিরে ধরেছিলো এক অদ্ভুত টেনশন। তিনিও নাকি মঞ্চে একটা ঘোরের মধ্যে ছিলেন!

মাহফুজ আনামের ভুল, রাষ্ট্রদ্রোহ ও একুশে পদক

জায়েদুল আহসান পিন্টু: সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রকাশিত ওইসব সংবাদ প্রকাশে ভুল স্বীকার করে মাহফুজ আনাম আরও কিছু প্রশ্নের উদ্রেক ঘটানোর সুযোগ করে দিয়েছেন। আজ আমরা কোন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা করছি, ৫ বা ৭ বছর পর নিশ্চয়ই আমাদের কেউ সত্য স্বীকার করে তা তুলে ধরবেন। কারণ আমরা আজ ভীত, অথবা দলদাস, আজ সত্য বলার সাহস আমাদের নেই।