প্রকাশ্য চুমু নিয়ে ফেসবুকে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘প্রকাশ্য চুমু’ খাওয়ার সমর্থনে ফেসবুকে খোলা একটি ইভেন্ট নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক। প্রিয়জনকে প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার জন্য এদিন পুলিশি নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন ওই ইভেন্টের হোস্ট অনন্য আজাদ এবং শাম্মী হক। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া।

Priyo Review: find great local business

রাজনীতি ও বাংলাদেশ

মতামত

সীমান্তর চোখে যে জল

দেবব্রত মুখোপাধ্যায়: সাধারণত, মানুষের মধ্যে প্রকাশ্যে কান্না চেপে রাখার একটা চেষ্টা থাকে। স্নিগ্ধ দর্শন মেয়েটাও মনে হয় সে চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু এক সময় এই জগত, এই মেকী রূপকথা, এই দেখনদারি দুনিয়া তার সামনে থেকে হারিয়ে গেলো। ভেউ ভেউ করে, ফুপিয়ে ফুপিয়ে কেঁদে চললো মেয়েটা।

আমার দিন: থ্যাঙ্ক ইউ, মেয়র আনিসুল হক

জাকারিয়া স্বপন: একজন মেয়র তার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শহরের বেদখল রাস্তা উদ্ধার করতে গেলেন। কিন্তু কিছু মানুষ সেটা বিশ্বাস করছে না, ভাবছে নাটক! তাহলে সমস্যাটা কোথায়? আমাদের চরিত্রই কি এমন দাড়িয়ে গেছে যে, সব কিছুতেই আমরা সন্দেহ পোষন করি? নাকি আমাদের সব কিছুই সন্দেহজনিত?

শশাঙ্ক মনোহর: যিনি চেষ্টা করেছিলেন

ভারতীয় বাংলা সংবাদমাধ্যমের কথাবার্তা আমি অর্ধেক বিশ্বাস করি না। বাকী অর্ধেক অবিশ্বাস করি। তারপরও কথাটা আমি বিশ্বাস করেছিলাম।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও আমার চাওয়া

সাহস রতন: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?’ না, পারি না তো। পারা উচিতও না। কারণ একুশ আমার অহংকার। একুশ মানে মাথা নত না করা। একুশ এসেছে বলেই না বাংলায় কথা বলছি। বাংলা আমার মুখের ভাষা বলেই না টুকটাক লেখালিখিও করতে পারছি।