মাহফুজ আনামের ভুল স্বীকার, অতপর...

প্রায় আট বছর আগে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রকাশিত সংবাদের কারণে আলোচনায় এসেছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার ও সম্পাদক মাহফুজ আনাম। ওই সংবাদ প্রকাশ করার কারণে দৈনিকটি বন্ধ ও সম্পাদককে গ্রেফতারের দাবি উঠেছে সংসদে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

Priyo Review: find great local business

রাজনীতি ও বাংলাদেশ

মতামত

রমিজ রাজারা কবে মানুষ হবেন?

আমরা কি শুধু এই ফেসবুকে রমিজ রাজার ‌'চামড়া তুলে'ই থেমে যাবো?

আমার দিন: থ্যাঙ্ক ইউ, মেয়র আনিসুল হক

জাকারিয়া স্বপন: একজন মেয়র তার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শহরের বেদখল রাস্তা উদ্ধার করতে গেলেন। কিন্তু কিছু মানুষ সেটা বিশ্বাস করছে না, ভাবছে নাটক! তাহলে সমস্যাটা কোথায়? আমাদের চরিত্রই কি এমন দাড়িয়ে গেছে যে, সব কিছুতেই আমরা সন্দেহ পোষন করি? নাকি আমাদের সব কিছুই সন্দেহজনিত?

শশাঙ্ক মনোহর: যিনি চেষ্টা করেছিলেন

ভারতীয় বাংলা সংবাদমাধ্যমের কথাবার্তা আমি অর্ধেক বিশ্বাস করি না। বাকী অর্ধেক অবিশ্বাস করি। তারপরও কথাটা আমি বিশ্বাস করেছিলাম।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও আমার চাওয়া

সাহস রতন: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?’ না, পারি না তো। পারা উচিতও না। কারণ একুশ আমার অহংকার। একুশ মানে মাথা নত না করা। একুশ এসেছে বলেই না বাংলায় কথা বলছি। বাংলা আমার মুখের ভাষা বলেই না টুকটাক লেখালিখিও করতে পারছি।